- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি যে রাউটার বিক্রি হয়
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত
- হজের মৌসুমে কোন দিনগুলোতে ওমরাহ করা মাকরুহ?
- ওজন কমাতে খাবার বাদ দেওয়া শরীরের পক্ষে ভালো, নাকি ক্ষতিকর?
- দেশের সব স্কুল-কলেজ ও শিক্ষা অফিসের জন্য জরুরি নির্দেশনা
- ১ জুলাই থেকে ম্যানুয়াল চালান বন্ধ, রাজস্ব জমা হবে ‘এ-চালান’ পদ্ধতিতে
- আপনার হাঁটু ও কনুই কি এমন কালচে হয়ে ওঠছে? জেনে নিন সমাধান
- চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত ঘোষণা
- ইরানের ওপর নতুন হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প
- রাঙ্গুনিয়ার রেমিট্যান্স যোদ্ধা চার ভাইয়ের জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল, দাফন সম্পন্ন
হজের মৌসুমে কোন দিনগুলোতে ওমরাহ করা মাকরুহ?
আল্লাহর ঘর কাবা শরিফ জিয়ারত করা প্রতিটি মুমিনের হৃদয়ের গভীর আকাঙ্ক্ষা। হজ ও ওমরাহ শুধু একটি সফর নয়; এটি আত্মশুদ্ধি, গুনাহ মাফ এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের এক অনন্য সুযোগ। বিশেষ করে ওমরাহ এমন একটি ইবাদত, যা বছরের প্রায় সব সময়ই পালন করা যায় এবং এর ফজিলত সম্পর্কে কুরআন-হাদিসে রয়েছে অসংখ্য উৎসাহব্যঞ্জক বর্ণনা। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে— হজের মৌসুমে কোন দিনগুলোতে ওমরাহ করা মাকরুহ?
হজের পাঁচ দিনে ওমরাহ করা মাকরুহ
জিলহজ মাসের ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ তারিখে ওমরাহ করা মাকরুহ তাহরিমি। এ দিনগুলো মূলত হজের গুরুত্বপূর্ণ আমলের জন্য নির্ধারিত। তাই এসব দিনে ওমরাহ করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
তবে জিলহজ মাসের বাকি দিনগুলোতে এবং বছরের অন্য যেকোনো সময় ওমরাহ করা জায়েজ ও ফজিলতপূর্ণ আমল। যার মক্কায় পৌঁছার সামর্থ্য রয়েছে, তার জন্য জীবনে অন্তত একবার ওমরাহ করা সুন্নতে মুআক্কাদাহ। আর সামর্থ্য অনুযায়ী বারবার ওমরাহ করা মুস্তাহাব।
ওমরাহর ফজিলত সম্পর্কে হাদিস
হজরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন—
الْعُمْرَةُ إِلَى الْعُمْرَةِ كَفَّارَةٌ لِمَا بَيْنَهُمَا، وَالْحَجُّ الْمَبْرُورُ لَيْسَ لَهُ جَزَاءٌ إِلَّا الْجَنَّةُ
‘এক ওমরাহ থেকে আরেক ওমরাহ পর্যন্ত সময়ের গুনাহের জন্য তা কাফফারাস্বরূপ। আর কবুল হজের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া আর কিছু নয়।’ (বুখারি ১৭৭৩)
আরেক হাদিসে হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
تَابِعُوا بَيْنَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ، فَإِنَّهُمَا يَنْفِيَانِ الْفَقْرَ وَالذُّنُوبَ، كَمَا يَنْفِي الْكِيرُ خَبَثَ الْحَدِيدِ وَالذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ، وَلَيْسَ لِلْحَجَّةِ الْمَبْرُورَةِ ثَوَابٌ إِلَّا الْجَنَّةُ
‘ধারাবাহিকভাবে হজ ও ওমরাহ আদায় করতে থাকো। কারণ এ দুটি দারিদ্র্য ও গুনাহ দূর করে দেয়, যেমন হাঁপর লোহা, সোনা ও রুপার ময়লা দূর করে। আর মাবরুর হজের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া আর কিছু নয়।’ (নাসাঈ ২৬৩১; তিরমিজি ৮১০)
ওমরাহ এমন এক ইবাদত, যা মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে এবং আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে। হজের নির্ধারিত পাঁচ দিন ছাড়া বছরের প্রায় সব সময়ই এই ইবাদত আদায় করা যায়। তাই সামর্থ্যবান মুসলমানদের উচিত সুযোগ পেলেই আল্লাহর ঘরে হাজির হয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে ওমরাহ আদায় করা। কারণ একটি কবুল ওমরাহ মানুষের গুনাহ মোচন করে এবং তাকে আল্লাহর রহমতের আরও কাছে পৌঁছে দেয়।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: