- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আর কোনো আলোচনার পরিকল্পনা নেই: ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- বিএনপির ৩৬ নারী প্রার্থী চূড়ান্ত, ঘোষণা সোমবার
- পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হবে: তারেক রহমান
- জ্বালানি সংকট: দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিমিতে ৪ টাকা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব
- ট্রাকচালকের হাত-পা বেঁধে ১৪ হাজার লিটার তেল লুট, গ্রেপ্তার ২
- কাল থেকে শুরু এসএসসি পরীক্ষা, মানতে হবে ১৪ নির্দেশনা
যুক্তরাষ্ট্রে বেড়েই চলছে সহিংসতা, আতঙ্কে প্রবাসী বাংলাদেশিরা
যুক্তরাষ্ট্রে দিন দিন বন্দুক হামলাসহ সহিংস ঘটনা বেড়েই চলেছে। দেশটিতে এক সপ্তাহে সাতটি বন্দুক হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। এদিকে কলোরাডোতে বন্দুক হামলার পর এখন স্তব্ধ পুরো বোল্ডার শহর। সেখানে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা নিরাপদে থাকলেও একের পর এক হামলার ঘটনায় তারা আতঙ্কিত। বন্দুক নিয়ন্ত্রণ আইন যথাযথভাবে কার্যকর করার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।
গত সপ্তাহে জর্জিয়ার আটলান্টায় তিনটি ম্যাসাজ পার্লার ও স্পাতে ছয় এশীয় নারীসহ আটজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সপ্তাহ না ঘুরতেই আবার কলোরাডোর বোল্ডার শহরে বন্দুক হামলায় ১০ জন নিহত হন। স্তম্ভিত যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ। বোল্ডার শহরের কাছেই বসবাস করেন বাংলাদেশের কথাসাহিত্যিক জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত। ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন তিনি।
কলোরাডো লেখক ও সাহিত্যিক জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত বলেন, ওই শহরে আমরা অনেক দিন বসবাস করেছি। আর যে মার্কেটে ঘটনা ঘটেছে সেখানেও যাওয়া-আসা ছিল।ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয়।
কলোরাডোয় বসবাস করা লেখক পূরবী বসু মনে করেন, বন্দুক আইন পরিবর্তন এবং অস্ত্র বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এ ধরনের হামলা বন্ধ করা কঠিন।
গত ১৬ মার্চ আটলান্টায় আটজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ২০ মার্চ টেক্সাসের ডালাসে একটি নৈশক্লাবে বন্দুকধারীর হামলায় এক তরুণী নিহত হন। একই দিন পেনসিলভানিয়ার ফিলাডেলফিয়ায় একটি আবাসিক এলাকায় গুলিতে মারা যান আরও একজন। এসব ঘটনায় আহত হন আরও অনেকে।
বর্ণবৈষম্য, বিদেশিদের প্রতি ঘৃণা এবং নারীবিদ্বেষের মতো ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে দিন দিন বাড়ছে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, এ ঘটনাগুলোকে আমেরিকা আর মেনে নিতে পারে না। তাহলে কী করবেন তিনি? সবাই তাকিয়ে আছেন সেদিকে।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: