- এনসিপির ‘নারীশক্তি’র নেতৃত্বে যারা
- চার জাহাজে দেশে আসছে ১ লাখ ৪১ হাজার টন ডিজেল
- হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধের ঘোষণা ইরানের
- ৪ চমক নিয়ে বাংলাদেশ সফরের দল ঘোষণা পাকিস্তানের
- ‘হাওয়া’র রেকর্ড ভেঙে দিলো ‘বনলতা এক্সপ্রেস’
- এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
- সময়মতো হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে বিগত দুই সরকার: প্রধানমন্ত্রী
- সারা দেশে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হাম, শিশুকে সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে
- যে পদক্ষেপ নিলে হ্যাক হবে না ফেসবুক আইডি
- সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে শিক্ষার্থীসহ ৪ জনের মৃত্যু
সয়াবিনের দাম লিটারে আরও ১৫ টাকা বাড়াতে চান ব্যবসায়ীরা
ফের বোতলজাত সয়াবিনের দাম সমন্বয় করতে চান ব্যবসায়ীরা। বুধবার থেকে প্রতিলিটারে ১৫ টাকা করে বাড়াতে চান তারা। এ লক্ষ্যে রবিবার বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষের কাছে একটি আবেদন করেছে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।
বর্তমানে বোতলজাত ১ লিটার সয়াবিনের আনুষ্ঠানিক দাম ১৯০ টাকা। এর আগে গত ১৭ নভেম্বরে বোতলজাত সয়াবিনের দাম লিটারপ্রতি ১২ টাকা বৃদ্ধি করে সমিতি। তারও আগে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিনের দাম ছিল ১৭৮ টাকা।
সমিতির ভাষ্য, গত বছরের ১৬ মার্চ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভোজ্যতেলের আমদানি পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করার যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল, তার মেয়াদ আজ শেষ হচ্ছে। আগামীকাল ১ মে থেকে ভোজ্যতেলের কাঁচামালের ওপর আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিয়ে পণ্য খালাস করতে হবে। এ ছাড়া উৎপাদন পর্যায়েও ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিয়ে আগামীকাল থেকে বাজারে ভোজ্যতেল সরবরাহ করতে হবে। তাই বুধবার থেকে ফের সমন্বয়ের মাধ্যমে দাম বাড়াতে হবে।
সমিতি বলছে, আগের হারে এখন ভ্যাট আদায় হবে বলে এক লিটার বোতলের সয়াবিন তেল ২০৫ টাকা, পাঁচ লিটার বোতলের সয়াবিন তেল ১ হাজার ৫ টাকা, এক লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১৮৪ টাকা এবং এক লিটার খোলা পাম তেল ১২৯ টাকা দরে বিক্রি করতে হবে। তাই আগামী ৩ মে বুধবার নতুন দর কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সমিতি।
এ ব্যাপারে বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ‘প্রজ্ঞাপনটির মেয়াদ বাড়াতে চলতি মাসের শুরুর দিকেই আমরা এনবিআরকে চিঠি লিখেছিলাম। কিন্তু এনবিআর থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।’
তিনি বলছেন, প্রজ্ঞাপনটি আজ উঠে গেলেও ভোজ্যতেলের দামের ওপর প্রভাব এখনই পড়ার কথা নয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে ২০ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে পবিত্র রমজান মাসের চাহিদা ৩ লাখ টনের কাছাকাছি। স্থানীয় উৎপাদন হয় দুই লাখ টন, আর বাকি ১৮ লাখ টনই আমদানি করতে হয়।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: