- বিসিবি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা
- লিচু কেনার আগে খেয়াল রাখুন এই ৭ বিষয়
- সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে পরিচালক নির্বাচিত তামিম
- ‘তেলাপোকা পার্টি’র উত্থান, পতনের শঙ্কায় মোদি সরকার!
- রাষ্ট্রযন্ত্রের সক্রিয় ভূমিকায় দ্রুত সময়ে রামিসা হত্যার সুবিচার হয়েছে: অ্যাটর্নি জেনারেল
- গরমে মুখ ভরে যাচ্ছে লালচে র্যাশে, ঘরোয়া উপকরণ ব্যবহারেই সমাধান
- জামায়াতের ১১ দলীয় জোটে আবারও ভাঙন
- শাকিব-বুবলীর ঘরে এলো কন্যাসন্তান, নাম শার্লিন খান
- মতিঝিলে দিনে-দুপুরে ব্যাংকের সামনে গুলি করে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই
- রামিসা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার হওয়ায় আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় ঘরে ফেরা মানুষের উপচেপড়া ভিড়
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে এক সপ্তাহের লকডাউন বা বিধিনিষেধের শেষ দিনেও চলছে ফেরি। গাদাগাদি করে ফেরিতে পার হচ্ছে সাধারণ যাত্রী। দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ থাকায় বিভিন্ন মাধ্যমে এ ঘাটে বাড়ছে ঘরে ফেরা মানুষের ভিড়। কঠোর লকডাউনের ঘোষণায় রাজধানী ও এর আশপাশের জেলা শহরগুলো ছাড়ছে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ।
ঘাট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোববার (১১ এপ্রিল) ভোর থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে পার হওয়া মানুষ ভিড় বাড়ছে। সেই সঙ্গে যানবাহনের সংখ্যাও বাড়ছে। তবে ঘাট এলাকায় নেই স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই। দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় কয়েক গুণ বেশি ভাড়া দিয়ে ছোট ও মাঝারি যানবাহনে চড়ে পাটুরিয়া ঘাটে এসে জড়ো হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা। বিশেষ করে ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক কঠোর লকডাউনের খবরে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাটে বাড়ছে ঘরে ফেরা মানুষের ভিড়।
ফেরিতে গাদাগাদি করে পার হচ্ছে মানুষ। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ২০টি ফেরি চলাচল করছে।
শোয়েব নামের একজন যাত্রী বলেন, পাটুরিয়া ঘাটে মানুষের ভিড় তো আছেই মানুষ ফেরিতে গাদাগাদি করে পার হচ্ছে। এখন অনিচ্ছা থাকলেও আমাকে এভাবেই পার হতে হবে। ঘাটে ছোট যানবাহনের দীর্ঘ লাইন তাই দাঁড়িয়ে আছি। কিছুই করার নেই।
ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাম জানান, ঘাটে যানবাহন থাকলেই আমরা পার করছি। এখন বেশি রয়েছে ট্রাক, ছোট যানবাহন। স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে তিনি কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: