- নিয়মিত আদা খেলে শরীরে যে পরিবর্তন হয়
- আমার মরদেহ যেন কোনোভাবেই এফডিসিতে না যায়: শবনম
- চার দেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সতর্ক করল দূতাবাস
- দেশে প্রায় এক কোটি মানুষ ভাইরাল হেপাটাইটিসে আক্রান্ত, লিভারকে সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে
- রাজস্ব কাঠামোকে জনবান্ধব করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী
- ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে বড় পরিবর্তনের আভাস
- ১৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৩ হাজার কোটি টাকা
- নামাজে কিবলামুখী হওয়ার বিধান ও সীমা কতটুকু?
- লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজ ও ৪টি সামরিক নৌকায় হামলা
- ঢাকার কোন কোন পথে চলবে পিংক বাস, ভাড়া কত? জানুন বিস্তারিত
মালয়েশিয়ায় ৭৯ প্রবাসী বাংলাদেশি আটক
মালয়েশিয়ায় অভিবাসন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ৮৫ বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিক আটক হয়েছে।
বুধ ও বৃহস্পতিবার পৃথক অভিযানে এদের আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য স্টার ও ইয়াহু নিউজ।
ইংরেজি দৈনিক দ্য স্টার বলছে, বুধবার সেরেমবান এলাকায় স্থানীয় অভিবাসন বিভাগ অভিযান চালিয়ে ১১০ বিদেশিকে আটক করেছে। তাদের মধ্যে অন্তত ১০ বাংলাদেশি রয়েছেন।
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার দেশটির আরেক ইংরেজি সংবাদমাধ্যম ইয়াহু নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জোহর প্রদেশের অভিবাসন বিভাগ সেনাইয়ের কয়েকটি কারখানায় তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করেছে। এ সময় বৈধ ওয়ার্ক পারমিট না থাকায় ৬৯ বাংলাদেশিসহ ৮৫ বিদেশি অভিবাসীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের অধিকাংশই নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের পরিচালক কেনিথ তান আইক কিয়াং বলেছেন, নথিবিহীন বিদেশি শ্রমিকদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিবাসন আইন লঙ্ঘন করে তারা (আটককৃতরা) মেয়াদ শেষের পর অতিরিক্ত সময় ধরে অবস্থান এবং অবৈধভাবে প্রবেশ করেছেন।
জোহর অভিবাসন বিভাগের পরিচালক বাহারউদ্দিন তাহির বলেছেন, অপারেশন মাহির নামের এই অভিযান এমন বিদেশি অভিবাসীদের লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে, যাদের বৈধ ভ্রমণ নথি বা কর্মসংস্থানের অনুমতি নেই।
আটককৃতদের মধ্যে বাংলাদেশি ছাড়াও ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, মিয়ানমার ও ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক রয়েছেন। দুই অভিযানে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৬ জন মিয়ানমারের নাগরিক।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: