- ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে অন্ধপ্রদেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, নিহত ২
- মাদরাসায় বেশি জিপিএ-৫, এবার স্কুলের সঙ্গে একই প্রশ্নে পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী
- অনলাইন গেমের নেশা মানসিক অসুখ, মুক্তির উপায়
- বাংলাদেশের পাঁচ খাতে বিনিয়োগে জাপানি কোম্পানিগুলোকে আহ্বান তারেক রহমানের
- ১৮৫ কেন্দ্রের ১১৫টিই ঝুঁকিপূর্ণ, কড়া নিরাপত্তায় মাঠে এসআরবি
- মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি
- ব্যালন ডি’অরে কে কোন পুরস্কার জিতলেন, জেনে নিন
- আইইডিসিআর পরিচালকের ওপর হামলা ঘটনায় জামায়াতের নিন্দা
- খেজুরের বিস্ময়কর গুণ
- আগামী বছর থেকে স্কুলে জাপানিসহ কয়েকটি বিদেশি ভাষা চালুর পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়ায় ২৫২ বাংলাদেশি আটক
বৈধ কাগজপত্র না থাকায় অন্তত ৪২৫ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে মালয়েশিয়া। দেশটির ইমিগ্রেশন অফিসাররা কুয়ালামপুরের চেরাসের একটি অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে। এর মধ্যে ২৫২ বাংলাদেশি রয়েছে বলে জানিয়েছে ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক শামসুল বাহরিন মহসিনের মতে, চেরিয়া হাইটস অ্যাপার্টমেন্টে অভিযানটি দুই সপ্তাহ ধরে তদন্ত ও নজরদারির পর চালানো হয়েছিল।
শামসুল বলেন, বাসিন্দারা এলাকায় বিদেশিদের সংখ্যা নিয়ে অভিযোগ করেছেন। তারা এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করতো বলেও জানা গেছে।
তিনি বলেন, ‘আজ রাত (শুক্রবার) ১ টা থেকে ৪ টার মধ্যে ৬০ জন কর্মী এই অভিযানে পরিচালনা করেন। বৈধ ডকুমেন্টস না থাকা কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ অস্থায়ী ওয়ার্ক পারমিট থাকায় মোট ৪২৫ জনকে আটক করা হয়েছে।’
অভিযানের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ২৫২ জন বাংলাদেশি, ১০৮ জন মিয়ানমারের, দুজন ফিলিপাইনের, ৩০ জন ইন্দোনেশিয়ান, ছয়জন কম্বোডিয়ান, ২০ জন নেপালি এবং সাতজন পাকিস্তানি। সকলের বয়স ৮ থেকে ৫৪ বছরের মধ্যে।’
আটককৃতরা নির্মাণ ও পরিচ্ছন্নতাসহ বিভিন্ন শিল্পে কাজ করেন বলে শামসুল জানিয়েছেন। অভিযানের সময় আটককৃতদের মধ্যে কয়েকজন গ্রেপ্তার এড়াতে বোতলসহ বিভিন্ন জিনিস ছুড়ে আক্রমণাত্মক আচরণ করলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ইউএনএইচসিআর কার্ড এবং যাদের বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছিল তাদেরও তুলে নিয়েছে কর্মকর্তারা। মিয়ানমার নাগরিকদের জন্য সমিতি বা জাতিগততার ভিত্তিতে কার্ড ছিল কিন্তু সেগুলোর বৈধতা ছিল না।
আটক সকলকে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বুকিত জলিল অভিবাসন আটক কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ১৫(১)(গ) এবং ৬(১)(গ) ধারায় মামলাটির তদন্ত করা হচ্ছে।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: