- টেস্ট বিশ্বকাপের ফাইনালের দৌড়ে বাংলাদেশ, ছিটকে গেল পাকিস্তান
- অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতি আনতে চায় বাংলাদেশ-ভারত
- ঢাকার কোন কোন পথে চলবে পিংক বাস, ভাড়া কত? জানুন বিস্তারিত
- রাজস্ব কাঠামোকে জনবান্ধব করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা দিয়ে স্কুল-কলেজে চিঠি
- আমার মরদেহ যেন কোনোভাবেই এফডিসিতে না যায়: শবনম
- সমাজের সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
- নিয়মিত আদা খেলে শরীরে যে পরিবর্তন হয়
- দেশে প্রায় এক কোটি মানুষ ভাইরাল হেপাটাইটিসে আক্রান্ত, লিভারকে সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে
- লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজ ও ৪টি সামরিক নৌকায় হামলা
নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন অসম্পূর্ণ: জুবাইদা রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে ৫১ শতাংশ নারী। দেশ গঠনে তাই তাদের অংশগ্রহণ অপরিহার্য। দেশ ও জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে আমরা আজ সকলেই নিজ-নিজ ক্ষেত্রে অবদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের নারীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের চেষ্টা করতে পারি। দেশের উন্নয়ন নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া অসম্পূর্ণ।
রবিবার রাজধানীর গুলশান সোসাইটি লেক পার্কে আয়োজিত ‘গুলশান-বনানী-বারিধারা সোসাইটি নারী প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা’য় তিনি এসব কথা বলেন।
জুবাইদা রহমান বলেন, মনে পড়ছে বাংলাদেশের সেই অন্তঃসত্ত্বা মা-বোনের কথা, যারা সন্তান জন্ম দেয়ার সময় চিকিৎসার অভাবে অকালে ঝরে পড়ে। আমাদের পরিকল্পনার মধ্যে আছে, প্রত্যেকটি উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সে নিরাপদভাবে জন্ম দেয়ার ব্যবস্থা থাকবে। মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য সেবার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। আমার আজ মনে পড়ছে, অবহলিত সেই কন্যা শিশুর কথা যে প্রতিদিন ভয়ে থাকে, শঙ্কায় থাকে, সে বুঝি বাল্যবিবাহের শিকার হবে। কখন তার জীবনের স্বপ্ন চুরমার হয়ে যাবে। আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে চাই বিনামূল্যে শিক্ষা সম্প্রসারণ, মেয়েদের স্নাতকত্তর পর্যন্ত শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে। কোনো কন্যাশিশু আর মন খারাপ করে থাকবে না, যে কখন তার সমস্ত স্বপ্ন চুরমার হয়ে পড়ে যাবে। আজ চিন্তা হচ্ছে সেই কর্মজীবী মহিলার কথা এবং কলেজ ইউনিভার্সিটির সেই ছাত্রীর কথা, যাকে প্রতিক্ষণ অস্বস্তিকর অন্যায় ব্যবহারের শিকার হতে হয়। যে স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারে না, হাজারো লক্ষ গার্মেন্টস কর্মী, বোন যাদের রাতের অন্ধকারে চলাচলে নেই নিরাপত্তা। তারাও চায় সচেতন মাতৃত্বকালীন ছুটি। আমরা নিশ্চিত করতে চাই তাদের সবেতনে ৬ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি।
তিনি বলেন, আমরা নিশ্চিত করতে চাই, নিরাপত্তা এবং তাদের সুরক্ষা, নিরাপদ আবাসন, যাতায়াত ব্যবস্থা ও কর্মস্থলে ডে কেয়ার সেন্টার। প্রত্যেকটি মা নিশ্চিন্তে তার কর্মস্থলে কাজ করতে পারবে। আজ মনে পড়ে সেই বয়োবৃদ্ধ নারীর কথা, যাকে বৃদ্ধাশ্রমের একটি গেটের সঙ্গে তার পরিবারের লোকজন বেঁধে রেখেছিল। সেই মায়ের প্রতি আমরা জানাতে চাই পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন করা হবে।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, আজ মনে পড়ে সেই হতভাগা গৃহিণীর কথা, যিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। কেন? কারণ ছেলেমেয়েদের তিনি অন্ন-সংস্থান করতে পারেন না। আমরা নারী সাপোর্ট সেল গড়ে তুলব। উদ্যোক্তা নারীদের আর্থিক ও দক্ষতা সহায়তা প্রদান করব। আনুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক খাতে নারী কর্মস্থান বৃদ্ধি করা হবে। সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক পরিকল্পনার মাধ্যমে অবশ্যই সমস্যার সমাধান সম্ভব। আলোচকবৃন্দ এই এলাকার বিভিন্ন সমস্যার কথা জানিয়েছেন। আমরা শুনেছি। আমরা সবাই জানি এবং পরিবেশ সম্পর্কে, পরিবহন খাত সম্পর্কে, আরো বিভিন্ন সমস্যার সুনির্দিষ্ট সমাধান সুপরিকল্পিতভাবে ইশতেহারে উপস্থাপন করা হয়েছে। আমরা একে অপরের কথা শুনেছি, বুঝেছি। আরো শুনবো এবং আপনাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রত্যেকটি সমস্যার সমাধান যতটুকু সম্ভব লাঘব করার চেষ্টা করবো।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: