ADS

ADS
হোম / রাজনীতি / বিস্তারিত
ADS

আ. লীগের সঙ্গে সংঘর্ষের পর হাজারীবাগে সমাবেশ

27 September 2022, 10:42:10

রাজধানীতে গতকাল সোমবার আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার পর হাজারীবাগে সমাবেশ করেছে বিএনপি। সংঘর্ষে দুই পক্ষের কয়েকজন আহত হন। আওয়ামী লীগের কর্মীরা পিটুনি বেশি খেয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়।

জ্বালানি তেলসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও দলের চার নেতাকর্মীকে হত্যার প্রতিবাদে ঢাকার ১৬টি স্থানে সমাবেশের অংশ হিসেবে গতকাল হাজারীবাগে বিএনপির সমাবেশ হয়।

ধানমণ্ডির শঙ্কর বাসস্ট্যান্ডে সমাবেশ হওয়ার কথা থাকলেও একই স্থানে আওয়ামী লীগও সমাবেশ ডাকে। দুই দল পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ডাকায় পুলিশ কাউকে সমাবেশ করতে দেয়নি।
kalerkanthoপরে হাজারীবাগে শিকদার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পাশে সমাবেশ করে বিএনপি। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের লালবাগ, হাজারীবাগ, নিউ মার্কেট, ধানমণ্ডি থানা বিএনপির উদ্যোগে এই সমাবেশ হয়।

সমাবেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ধানমণ্ডি ও হাজারীবাগ এলাকায় উত্তেজনা ছিল। বাঁশ ও লাঠিসোঁটা হাতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মোড়ে মোড়ে অবস্থান নেন। বিএনপি নেতাকর্মীরা জাতীয় পতাকা মোড়ানো লাঠি হাতে সমাবেশে যোগ দেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর পৌনে ২টার দিকে বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা লাঠি হাতে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে যাওয়ার পথে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরা বাধা দেয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়াধাওয়ি হয় ও সংঘর্ষ বাধে। দুই পক্ষের কর্মীরা পরস্পরকে বেধড়ক লাঠিপেটা করেন। কয়েক মিনিট ধরে সংঘর্ষ চলার পর উভয় পক্ষ দুই দিকে সরে গেলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

সমাবেশস্থলে বেসরকারি টেলিভিশনের দুই সাংবাদিক হামলার শিকার হন। বিএনপি নেতাকর্মীরা তাঁদের ওপর হামলা চালান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়। পরে বিএনপির কর্মীদের হাতে সংবাদকর্মী আহত হওয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের ধানমণ্ডি অঞ্চলের (জোনের) অতিরিক্ত উপকমিশনার এহসানুল ফেরদৌস বলেন, সমাবেশকে কেন্দ্র করে কিছু সময় উত্তেজনা দেখা দেয়। তবে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তিনি বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ সমাবেশে লাঠির দরকার নেই। অথচ নেতাকর্মীরা লাঠি নিয়ে সমাবেশে অংশ নিচ্ছে। এটা আইনের চরম লঙ্ঘন। ’

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করলেন, আপনি তাদের বেআইনি ঘোষণা করলেন না কেন? এর অর্থ আওয়ামী লীগ জামায়াতের ফাঁদে পড়েছে। ’

সমাবেশ করতে পারায় পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে টুকু বলেন, ‘পুলিশ যদি আমাদের জনগণের কষ্টার্জিত টাকায় বেতনভুক্ত না হয়ে ওদের দলীয় কর্মী হতো, তাহলে আমরা এখানে সভা করতে পারতাম না। এ জন্য আমি পুলিশ ভাইদের ধন্যবাদ জানাই। ’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, বিএনপির কর্মীদের মারতে মারতে এমন একটা জায়গায় নিয়ে গেছে যে তারা আত্মরক্ষার জন্য লাঠি হাতে নিয়েছে। বিএনপি মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নেতা শাহজাহান ওমর, আবদুল খায়ের ভূঁইয়া, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস প্রমুখ।

ADS ADS

প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Comments: