- এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড
- বিশ্বকাপ শুধু মাঠের লড়াই নয়, দর্শকদের ভোগ-বিলাসের রেকর্ডও গড়েছে
- টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: কতটা চিন্তার, কতটা স্বাস্থ্যঝুঁকি?
- গ্যাস-সংকট সমাধানে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চাইলেন তারেক রহমান
- কাঁচা মরিচের ঝালে নাকাল ক্রেতারা, কেজি ছাড়ালো ৪০০ টাকা
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ের প্রতীক: রিজভী
- চাপে পড়ে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহার করবে শুভেন্দু সরকার
- যশোরে জামায়াত এমপির বাড়ি ঘেরাও
- দেশে প্রায় এক কোটি মানুষ ভাইরাল হেপাটাইটিসে আক্রান্ত, লিভারকে সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে
- নতুন চুল গজাতে ব্যবহার করুন রোজমেরি হেয়ার স্প্রে
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সূচকে বাংলাদেশের পাঁচ ধাপ উন্নতি
মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার সূচকে বাংলাদেশের পাঁচ ধাপ উন্নতি হয়েছে। এই সূচকে বাংলাদেশের আগে থাকা পাঁচটি দেশকে পেছনে ফেলে ওঠে এসেছে বাংলাদেশ।
এই সূচকে আগে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৪১তম। সেখান থেকে পাঁচ ধাপ এগিয়ে ৪৬তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছে। বাংলাদেশে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ আইন বাস্তবায়নে অগ্রগতি ও অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সূচকে উন্নতি হয়েছে।
সুইজারল্যান্ড-ভিত্তিক বেসেল এন্টি মানিলন্ডারিং (এএমএল) সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতি বছর সংস্থাটি বিভিন্ন দেশের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধবিষয়ক কার্যাবলি পর্যালোচনা করে এই সূচক প্রণয়ন করে। এর আগে গত বছরও এ সূচকে আট ধাপ উন্নতি হয়েছিল বাংলাদেশের। এবার হলো পাঁচ ধাপ।
এএমএল সূচক অনুযায়ী, ২০২৩ সালে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় রয়েছে হাইতি, চাদ, মিয়ানমার এবং কঙ্গো। আর সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হচ্ছে আইসল্যান্ড। দেশটি এএমএল সূচকের র্যাংকিংয়ে ১৫২ নম্বরে অবস্থান করছে। এন্টি মানিলন্ডারিং সূচকে চীন ২৭, যুক্তরাষ্ট্র ১১৯ ও যুক্তরাজ্য ১৪০তম স্থানে অবস্থান করছে।
সূচকে বাংলাদেশের উন্নয়নের কারণ হিসাবে প্রতিবেদনে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ কাঠামোর মানোন্নয়নের কথা বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে আন্তঃসংস্থার কাজের সমন্বয়, আর্থিক খাতে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নয়ন হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
সুইজারল্যান্ড-ভিত্তিক বেসেল ইনস্টিটিউট অন গভর্নেন্স পাঁচটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে এএমএল সূচক নির্ধারণ করে আসছে। এগুলো হচ্ছে-মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার পরিপালন, ঘুস ও দুর্নীতি, আর্থিক স্বচ্ছতা ও মানদণ্ড, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এবং আইনগত রাজনৈতিক ঝুঁকি।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: