- স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমলো ৫৪৮২ টাকা
- বগুড়ায় ৫ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল
- মিরপুরে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৮ উইকেটের জয়
- সৌদির সোফা কারখানায় আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফিরেছে
- তাহসিফ হত্যা মামলায় দ্বীপের ৪ দিনের রিমান্ড
- সাজেকে জেএসএস-ইউপিডিএফের মধ্যে দুই ঘণ্টা ধরে গোলাগুলি, আতঙ্কে বাসিন্দারা
- এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা, সুযোগ পাবেন যারা
- সাবেক ডিবি প্রধান হারুন বরখাস্ত
- যুবসমাজ যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি: প্রধানমন্ত্রী
- এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ
সাজেকে জেএসএস-ইউপিডিএফের মধ্যে দুই ঘণ্টা ধরে গোলাগুলি, আতঙ্কে বাসিন্দারা
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে জেএসএস ও ইউপিডিএফের সশস্ত্র কর্মীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দুপুর থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে থেমে থেমে এ গোলাগুলি চলে। এতে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে সাজেকের কলাবুনিয়া এলাকার দুর্গম পাহাড়ে এ গোলাগুলি শুরু হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জেএসএস ও ইউপিডিএফের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। কিছুক্ষণ পরপর উভয় পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময় হয়।
সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শনিবার দুপুর ১টা থেকে কলাবুনিয়ার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। এলাকাটি অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এদিকে গোলাগুলির ঘটনায় আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গোলাগুলির ঘটনায় কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সংঘর্ষের কারণে প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।























Comments: