ইন্টারনেট
হোম / সারা বাংলা / বিস্তারিত
ADS

সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় থমথমে শেরপুর, শুক্রবার কর্মসূচি ঘোষণা

29 January 2026, 10:51:01

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকাজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সংঘাত এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শ্রীবরদী সরকারি কলেজ জামায়াত নেতার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজাকে কেন্দ্র করে বিপুল পরিমাণ সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের উপস্থিতি দেখা গেছে। তাছাড়া আগামী শুক্রবার শেরপুরে জামায়াত ইসলামীর উদ্যোগ বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আয়োজিত নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে সংঘর্ষে আহত হয়েছিলেন রেজাউল করিম। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে শেরপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবন‌তি হ‌লে উন্নত চি‌কিৎসার জন্য ময়মন‌সিংহ মে‌ডি‌কেল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে নেওয়ার প‌থে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়। মূলত সংঘর্ষের পর থেকেই ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি দেখা যায়। জামায়াত নেতার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তৎপরতা বাড়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরপর সকাল থেকে শ্রীবরদী বাজারে যৌথ বাহিনীকে টহল দিতে দেখা গেছে।

এদিকে বিকেল ৫টায় রেজাউল করিমের জানাজাকে কেন্দ্র করে কানায় কানায় ভরে উঠে সরকারি কলেজ মাঠ। এসময় জামায়াত নেতারা সংঘর্ষের ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্ন তুলে অনতিবিলম্বে ঝিনাইগাতী ইউএনও আশরাফুল আলমের প্রত্যাহার দাবি করেন। তাছাড়া আগামী শুক্রবার শেরপুরে জামায়াত ইসলামীর উদ্যোগ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

জানাজায় অংশ নেন শত শত মুসল্লি। ছবি: ইত্তেফাক

এসময় বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী ময়মনসিংহ অঞ্চলের পরিচালক ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ড. মো. ছামিউল হক ফারুকী, জেলা জামায়াতের আমীর হাফিজুর রহমান, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ আসনের মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ঝিনাইগাতী প্রশাসন যে ভূমিকা পালন করেছে তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করলে। এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। সেদিন প্রশাসন একটি দলের হয়ে কাজ করেছে। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে ঝিনাইগাতী ইউএনওর প্রত্যাহার দাবি করছি। কারণ তার পক্ষে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।

জেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান জানান, জানাজা চলাকালে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচনী পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। শ্রীবরদীতে ৪ প্লাটুন সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

ADS ADS

প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Comments: