- ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ আমরা শুরু করিনি: ট্রাম্প
- আবার বেড়ে যত হতে পারে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম
- বাংলাদেশের মাটিতে আ. লীগের রাজনীতি করার অধিকার নেই: গোলাম পরওয়ার
- মৌলভীবাজারে হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড
- রুকয়া কী, কখন প্রয়োজন?
- জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী
- অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদায় শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন অভিনেতা শিবা শানু
- মানবতাবিরোধী অপরাধে মাহবুব-উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিন নেতার আমৃত্যু কারাদণ্ড
- নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু: প্রতিমন্ত্রী নুর
সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে বন্যার শঙ্কা: পানি উন্নয়ন বোর্ড
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে বন্যা হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। শনিবার (১৭ জুন) সুরমা, কুশিয়ারা, মনু, সোমেশ্বরী ও খোয়াই নদীর পানি সমতলে বাড়ছে বলেও জানায় সংস্থাটি।
জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে সিলেট নগরী ও শহরতলিতেও ব্যাপক জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। পানিবন্দি হয়েছে বেশ কিছু সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ড্রেনেজ ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনার কারণে জলাবদ্ধতার ভোগান্তি বেড়েছে কয়েকগুণ। বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে নগরীর আখালিয়া বড় বাড়ি, খলাপাড়া, চান্দিয়ালা, রাংগাউঠি, উপশহর ও দক্ষিণ সুরমার বেশ কিছু এলাকা।
আগামী কয়েক দিনে সিলেট ১৪শ’ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে প্রধান দুই নদী সুরমা ও কুশিয়ারাতে বেড়েছে পানির উচ্চতা। দুই নদীর পানিই বিপদসীমার কাছাকাছি দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সিলেটের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজীব হোসাইন বলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টা সিলেটে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে নামতে পারে পাহাড়ি ঢল।
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান বলেন, সিলেটে গত কয়েকদিন ধরে প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। পূর্বাভাস রয়েছে সামনে সিলেটজুড়ে অতিবৃষ্টি হবে। ফলে সিলেটে বন্যা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি বলেন, বন্যা হলে এর ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনায় আমরা আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে চাই। এই লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার জেলার সকল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যানের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠক করেছি।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: