- ত্বকের সঙ্গে মানানসই লিপস্টিকের রঙ বাছাই করবেন যেভাবে
- ২৮ আগস্ট মাঠে গড়াচ্ছে বিসিবির নতুন বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট
- ২০২৭ সালে দেখা যাবে শতাব্দীর বিরল সূর্যগ্রহণ, দিনের বেলায় নামবে গভীর অন্ধকার
- ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
- কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আরও ২ বাংলাদেশি শনাক্ত
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটে অংশগ্রহণ করেনি ইসলামী আন্দোলন
- ট্রাইব্যুনালে অঝরে কাঁদলেন রেদোয়ানুল, বললেন- ‘সংসার চালাব, নাকি আইনজীবীর খরচ দেব’
- দেশের বাজারে বাড়লো স্বর্ণের দাম
- ইরানকে সহায়তা করা দেশগুলোকে কঠোর হুমকি ট্রাম্পের, ‘ভয়াবহ পরিণতির’ হুঁশিয়ারি
- পেটব্যথা নিয়ে যে ভুলটি করেন অনেকেই, সতর্ক করলেন চিকিৎসক
আরাকান আর্মির হাতে মিয়ানমারের জেনারেল নিহত, চলছে লড়াই
চীনা বিনিয়োগ কেন্দ্র কিয়াউকফিউর দখল নিতে আসা আরাকান আর্মির (এএ) সঙ্গে লড়াইয়ে এক শীর্ষ জান্তা জেনারেল নিহত হয়েছেন। রাখাইন রাজ্যের কৌশলগত এই বন্দর ঘিরে চলমান সংঘর্ষে জান্তা বাহিনীর একাধিক অবস্থান দখল করেছে বিদ্রোহীরা।
রাখাইনের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কিয়াউকফিউ-রাম্রি সড়কের পাশে পিয়াইন সি কাই গ্রামসংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে। কিয়াউকফিউ শহর থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত এই এলাকায় জান্তাদের একটি সদর দপ্তর ঘিরে ফেলেছে আরাকান আর্মি। এ ছাড়া চীনের তেল ও গ্যাস টার্মিনালের কাছাকাছি লড়াইয়ের খবর মিলেছে।
এর আগে গত সোমবার (২৬ মে) আরাকান আর্মির স্নাইপার হামলায় মারা যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কিয়াও মিও আউং ও এক সেনা ক্যাপ্টেন। কিয়াও মিও আউং ১১ নম্বর ডিভিশনের একজন কৌশলবিদ ছিলেন। পরে তাঁর মরদেহ বিশেষ বিমানে ইয়াঙ্গুনে পাঠানো হয়।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ৪৫ বছর বয়সী কিয়াও মিও আউং কর্তব্য পালনকালে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার ইয়াঙ্গুনের মিংগালাডন সামরিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
এদিকে কিয়াউকফিউ শহর রক্ষা করতে জান্তা সরকার স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনীকে একযোগে ব্যবহার করছে। তবে পরিস্থিতি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাখাইনের সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে ইরাবতী জানিয়েছে, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পে নিযুক্ত চীনা বেসরকারি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে ড্রোন হামলায় জান্তা বাহিনীকে সহায়তা করছে। তবে এই তথ্যগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি ইরাবতী।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারের জান্তা সরকার একটি আইন প্রণয়ন করে। এতে বলা হয়, চীনা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা মিয়ানমারে অস্ত্র বহন করে তাদের বিনিয়োগ রক্ষা করতে পারবে। এর পর থেকে কিয়াউকফিউতে চীনা কর্মীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। সেখানে চীন একটি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করছে, যার মাধ্যমে ভারত মহাসাগরে সরাসরি প্রবেশাধিকার পাবে বেইজিং।
রাখাইনের স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো আরও জানিয়েছে, লড়াই শহরের খুব কাছাকাছি চলে আসায় অনেক জান্তা প্রশাসক কিয়াউকফিউ ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, চীনের কৌশলগত তেল ও গ্যাস পাইপলাইন কিয়াউকফিউ থেকে শুরু হয়, যা চীনের ইউনান প্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
২০২৩ সালের নভেম্বরে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে আরাকান আর্মি। এর মধ্যে তারা রাখাইন রাজ্যের ১৭ টাউনশিপের মধ্যে ১৪টি এবং দক্ষিণ চিন রাজ্যের পালেতোয়া অঞ্চল দখলে নিয়েছে। এখন তারা রাজ্যের রাজধানী সিত্তুই দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।
জান্তা বাহিনী এর পাল্টা জবাবে আরাকান আর্মি নিয়ন্ত্রিত গ্রাম ও শহরগুলোতে বিমান হামলা চালিয়ে বহু বেসামরিক মানুষ হত্যা করছে। তবে চলতি বছরে রাখাইন ছাড়িয়ে মাগওয়ে, বাগো ও আয়েয়ারওয়াডি অঞ্চলেও নিজেদের প্রভাব বিস্তৃত করেছে আরাকান আর্মি।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: