- শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল
- ৩ লক্ষণে বুঝবেন আপনার চুল পড়ার হার স্বাভাবিক না
- আত্মহত্যার অনুসন্ধান করলেই জেনে যাবে বাবা-মা
- ঈদের ছুটি বাড়ল
- রবির পরকীয়ার অভিযোগ: সরব ডলি সায়ন্তনী, নেটিজেনদের তোপ
- রমজানে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সেহরির ডায়েট প্ল্যান
- ইরানের ড্রোন হামলায় কুয়েতে ৬ মার্কিন সেনা নিহত, ৪ জনের ছবি প্রকাশ
- ভারত-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল বৃষ্টিতে ভেসে গেলে ফাইনালে উঠবে যারা
- মন্ত্রিসভা বৈঠকে স্বচ্ছতা ও জনসেবা নিশ্চিতে কঠোর নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর
- ইরানের হামলায় আহত দুই প্রবাসীকে দেখতে হাসপাতালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত
গাজায় যুদ্ধবিরতির মধ্যে আবারও ইসরায়েলের হামলা, নিহত ২৮ ফিলিস্তিনি
গাজা উপত্যকায় যুক্তরাষ্ট্র–মধ্যস্থ যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা অবস্থায় নতুন করে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ২৮ ফিলিস্তিনি নিহত এবং অন্তত ৭৭ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই হামলাকে চলমান যুদ্ধবিরতির সবচেয়ে বড় লঙ্ঘনগুলোর একটি হিসেবে বর্ণনা করেছে।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বুধবার দক্ষিণ গাজার আল-মাওয়াসি, গাজা সিটির শুজায়েয়া জংশন ও জেইতুন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী বিমান হামলা চালায়। এসব স্থানে সেই সময় বিপুলসংখ্যক বেসামরিক মানুষের উপস্থিতি ছিল।
গাজা সিটি থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেইতুন এলাকার একটি ভবনে নিহতদের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ পরিবার—পিতা, মাতা ও তাদের তিন সন্তান—অন্তর্ভুক্ত। প্রতিবেদক হানি মাহমুদ বলেন, “যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরও গাজায় প্রতিদিনই মৃত্যু ও আতঙ্ক থামছে না।”
অন্যদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা “হামাসের লক্ষ্যবস্তুতে” হামলা চালিয়েছে। তাদের বক্তব্য, খান ইউনিস এলাকায় ইসরায়েলি সৈন্যদের ওপর গুলি চালানো হয়েছিল, যার জবাবে এই অভিযান পরিচালিত হয়। সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, “ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি দূর করতে সামরিক পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।”
তবে হামাস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সংগঠনটির দাবি, ইসরায়েল “নিজেদের অপরাধকে ন্যায্যতা দিতে তুচ্ছ অজুহাত তুলে ধরছে।” হামাস আরও বলেছে, সাম্প্রতিক হামলা যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর “গণহত্যা পুনরায় শুরু করার বিপজ্জনক উদ্দেশ্য” প্রমাণ করে।
অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ থেকে আল জাজিরার আরেক প্রতিবেদক নুর ওদেহ বলেন, ইসরায়েল নিজেকে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে “বিচারক, জুরি ও জল্লাদ”—তিন ভূমিকাতেই প্রতিষ্ঠিত করেছে। তার মতে, ইসরায়েল ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে হামাস যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করেছে কি না, এবং সে যুক্তিতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
এমন সময় হামলা চালানো হলো যখন লেবানন সীমান্তেও উত্তেজনা তীব্র হচ্ছে। এর আগের দিন দক্ষিণ লেবাননের একটি ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় এক ডজনের বেশি মানুষ নিহত হয়।
এই পরিস্থিতি তৈরি হলো জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা সমর্থন করে প্রস্তাব পাস করার পরপরই। প্রস্তাবে গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েন এবং অঞ্চলটি পরিচালনায় একটি “শান্তির বোর্ড” প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বলছে, হামাসের গাজার নিয়ন্ত্রণ ত্যাগ করা উচিত।
তবে হামাসসহ গাজার অন্যান্য ফিলিস্তিনি সংগঠন এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে। মানবাধিকার সংস্থা আল-হক সতর্ক করে বলেছে, এই প্রস্তাব ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে ক্ষুণ্ন করতে পারে।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: