- গ্যাস-সংকট সমাধানে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চাইলেন তারেক রহমান
- এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড
- যশোরে জামায়াত এমপির বাড়ি ঘেরাও
- চাপে পড়ে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহার করবে শুভেন্দু সরকার
- শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী
- নতুন চুল গজাতে ব্যবহার করুন রোজমেরি হেয়ার স্প্রে
- প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান, সভাপতিত্ব করবেন খলিলুর রহমান
- কিয়ামতের ময়দানে নবীজি (সা.) যেভাবে তার উম্মতকে চিনবেন
- কাঁচা মরিচের ঝালে নাকাল ক্রেতারা, কেজি ছাড়ালো ৪০০ টাকা
- বিশ্বকাপ শুধু মাঠের লড়াই নয়, দর্শকদের ভোগ-বিলাসের রেকর্ডও গড়েছে
মিয়ানমারে শত শত বিক্ষোভকারী মুক্ত
মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানের সময় গ্রেফতার হওয়া শত শত বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে সামরিক জান্তা সরকার। গত বুধবার (১৭ মার্চ) তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
রয়টার্স জানিয়েছে, দেশটিতে সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। বিক্ষোভ ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।
১ ফেব্রুয়ারি সামরিক বাহিনী দেশের পুরো ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই বিক্ষোভের সূত্রপাত। বিক্ষোভকারীরা জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে নীরব ধর্মঘট পালন করছে।
এদিকে ইয়াঙ্গুন শহরের অধিকাংশ ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সামরিক অভ্যুত্থানের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ করে যাচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বন্দিদের বহনকারী বেশ কয়েকটি বাস বুধবার সকালে ইয়াঙ্গুনের ইনসেইন কারাগার থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা গেছে।
সেখানে বন্দিদের বেশ কয়েকজন আইনজীবীও ছিলেন। তবে কতজন বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানায়নি। সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের সঙ্গেও এ বিষয়ে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
আইনি পরামর্শদাতা একটি গ্রুপের এক সদস্য জানিয়েছেন, বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ থেকে রাতে অভিযান চালিয়ে এসব মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
এছাড়া যারা নিয়মভঙ্গ করে কেনাকাটার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়েছে তারাও নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছে।
ওই সদস্য জানিয়েছেন, তিনি ১৫টি বাসকে কারাগার থেকে বের হতে দেখেছেন।
অ্যাসিসটেন্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স (এএপিপি) জানিয়েছে, সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে চলা বিক্ষোভে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ২ হাজার মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ইয়াঙ্গুনের মায়ানগোন জেলার এক বাসিন্দা বলেন, প্রতিদিন শাক-সবজি এবং মাছ-মাংস নিয়ে যেসব বিক্রেতা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকেন বুধবার তাদের কাউকেই দেখা যায়নি। শুধু পাখির ডাক ছাড়া কোনো যান চলাচলের শব্দও পাওয়া যায়নি।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: