- ইরান সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান
- ‘২৩ বছর পর এই বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে খেলা সহজ নয়’
- প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি চালুর নির্দেশ
- একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: যেভাবে শনাক্ত করা হয় দুই খুনিকে
- বঙ্গভবনে নতুন রাষ্ট্রপতির দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু
- সরকার জনগণের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করছে: রিজভী
- দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লম্ফন
বাসেত ছিলেন একজন খোলা মনের মানুষ: খন্দকার মাহবুব
ন্দকার মাহবুব হোসেন ও আব্দুল বাসেত মজুমদার দু’জনেই দেশের সর্বোচ্চ আদালতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। তারা অগণিত ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করেছেন। ছিলেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান।
বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় বুধবার অনন্তকালের পথে পাড়ি জমান বাসেত মজুমদার। দু’জনে পরস্পর বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিলেও তাদের মধ্যে ভালোবাসা, শ্রদ্ধাবোধের যে কখনও ঘাটতি হয়নি তা খন্দকার মাহবুব হোসেনের শোকবাণীতে উঠে এসেছে।
‘অ্যাডভোকেট বাসেতের মৃত্যুতে একফোঁটা চোখের জল’ শিরোনামে শোকবাণীতে সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন লিখেছেন, পেশাগত জীবনে দীর্ঘ ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে আমরা আইন পেশায় ছিলাম। দীর্ঘসময় আমাদের মধ্যে ছিল পেশাগত দ্বন্দ্ব, তার ওপর ছিল পেশাগত রাজনৈতিক বৈরিতা। আমরা উভয় ছিলাম আইনপেশায় দু’টি রাজনৈতিক দলের পরস্পর আপাতত দৃষ্টিতে বৈরি মনোভাব সম্পন্ন। কিন্তু আমাদের মধ্যকার ভালোবাসা, পরস্পর শ্রদ্ধাবোধের কখনও কোনো ঘাটতি হয়নি।’
খন্দকার মাহবুব বলেন, ‘বাসেত ছিলেন একজন খোলা মনের মানুষ। আইনপেশায় তার মতো উদার প্রকৃতির লোক আর আসবে কি না জানি না। পেশাগত পদে আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। কিন্তু ব্যক্তি জীবনে আমাদের মধ্যে উভয়ের ভালোবাসা, শ্রদ্ধাবোধ কখনও ক্ষুণ্ন হয়নি। এই মহৎ ব্যক্তিটি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। আমি তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। তার শোকাহত পরিবারের প্রতি জানাচ্ছি সহানুভূতি।’
উল্লেখ্য, বুধবার সকাল ৮টা ১৮ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ‘গরিবের আইনজীবী’ হিসেবে পরিচিত প্রবীণ আইনজীবী আব্দুল বাসেত মজুমদার। তার প্রয়াণে আইন অঙ্গনে নেমে আসে শোকের ছায়া।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: