- হাত-পা বিচ্ছিন্ন করে নড়াইলে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা
- স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীকে রক্ষা করা অগ্রহণযোগ্য: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
- পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
- কাঁঠালের বিচির গুণাগুণ
- ওমরাহ পালনের পথে সৌদিতে দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু
- অবশেষে ককরোচ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে মোদি সরকার
- হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত হচ্ছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, যেসব সুবিধা পাবে ব্যবহারকারীরা
- হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮১০
- দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন
পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের কাছে পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেন।
সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী, স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই তা কার্যকর হয়েছে। ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হয়েছে।
বঙ্গভবন সূত্রে জানা গেছে, গত সপ্তাহের শেষ দিকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন মো. সাহাবুদ্দিন এবং সে সময়ই পদত্যাগপত্র প্রস্তুত করা হয়। তবে স্পিকার দেশের বাইরে থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে।
মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৮ সালের এপ্রিল মাসে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করানোর বিরল নজির গড়েন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসে। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জুলাই আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট সংগঠন তার পদত্যাগের দাবি তোলে এবং বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। তবে সংসদ বিলুপ্তি, অন্তর্বর্তী সরকার গঠন এবং রাজনৈতিক রূপান্তরের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারও তাকে অপসারণের কোনো উদ্যোগ নেয়নি।
মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন পরিবর্তনের সূচনা হলো। সংবিধান অনুযায়ী, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে।
রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাবনা জেলা স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন। ১৯৭১ সালের ৯ এপ্রিল ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর পাবনা অঞ্চলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।























Comments: