‘বুদ্ধিজীবী প্রতিবন্ধী’রা বসে থাকেন অগণতান্ত্রিক সরকারের জন্য: প্রধানমন্ত্রী
দেশে অগণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থার আশায় কিছু ‘বুদ্ধিজীবী প্রতিবন্ধী’ জামা-কাপড় ইস্ত্রি করে অপেক্ষায় থাকেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, ‘তারা যেকোনোভাবে আওয়ামী লীগ সরকারকে হটাতে চায়। কারণ অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় তাদের কদর বাড়ে।’
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি। দলের ২২ তম জাতীয় সম্মেলনের আগে শেষবারের মতো এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সে সব বুদ্ধিজীবীদের জ্ঞান-বুদ্ধিকে দেশের কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যাদের চোখ আছে তারা উন্নয়ন দেখবে, আর বুদ্ধিজীবী প্রতিবন্ধীরা কোনো উন্নয়ন দেখেন না। কিন্তু তারা অগণতান্ত্রিক সরকার দ্বারা ব্যবহৃত হয়। নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে অনির্বাচিত কাউকে ক্ষমতায় আনলে দেশের জন্য ভালো হবে না।’
আওয়ামী লীগ দাপট দেখিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখেনি বলে মন্তব্য করে দলের সভাপতি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে। কখনোই দাপট দেখিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখেনি।’
বিএনপির শাসনামলে দুর্নীতিই নীতি হয়ে গিয়েছিল বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০০১ সালের নির্বাচন ছিল গভীর চক্রান্ত। জনগণের ভোট আওয়ামী লীগ পেয়েছিল, কিন্তু ক্ষমতায় বসতে পারেনি। বিএনপি-জামায়াতের শাসনামল ছিল জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও লুটপাটের। সে সময় দুর্নীতিই নীতি হয়ে যায়।’
জেনারেলের পকেট থেকেই বিএনপির জন্ম দাবি করে তিনি বলেন, ‘মাটি ও মানুষ থেকে তাদের জন্ম হয়নি। তারা সব সময় মানুষের ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে।’
২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি যেখানে ৩১টি আসন পায়, সেখানে তারা জনগণের ভোটে আবার কিভাবে ক্ষমতায় আসবে―দলটির নেতাদের কাছে এমন প্রশ্ন রাখেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।
তিনি বলেন, ‘যে দলের নেতারা বিদেশে টাকা পাচার করে শাস্তি পায়। তারাই আবার টাকা পাচার নিয়ে কথা বলে। যে দলের নেতারা গ্রেনেড হামলায় সাজাপ্রাপ্ত, মানিলন্ডারিংয়ে জড়িত, জনগণের ভোটে তারা ক্ষমতায় যাবে এ স্বপ্ন কীভাবে দেখে।’
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: