ইন্টারনেট
হোম / আইন-আদালত / বিস্তারিত
ADS

ফালুর অর্থপাচার মামলার অধিকতর তদন্ত চেয়ে আদালতে দুদক

29 October 2022, 12:11:44

ব্যবসায়ী ও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মোসাদ্দেক আলী ফালুসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অর্থপাচার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। একই সঙ্গে এ মামলার অধিকতর তদন্ত চেয়ে ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে আবেদনও করেছে সরকারি সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার দুদকের পক্ষে আবেদনটি করেন বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর- পিপি মীর আহমেদ আলী সালাম। আবেদনে বলা হয়েছে, দুদক যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে সেই প্রতিবেদনে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। অন্য কোনো তদন্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে আরও অধিকতর তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।

দুদকের আবেদনের পর বৃহস্পতিবার আংশিক শুনানি শেষে এ বিষয়ে আগামী ১ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেছেন বিশেষ জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ কামাল হোসেন।

অর্থপাচারের এই মামলায় গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ ফালুসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করেন। চার্জশিটে ফালুকে পলাতক দেখানোয় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

এরপর একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ফালুকে হাজির হতে বলা হয়। কিন্তু তিনি আদালতের আদেশ পালন করেননি। এরপর মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে স্থানান্তর করা হয়।

ফালু ছাড়া মামলায় অপর আসামি হলেন- আর এ কে সিরামিকস অ্যান্ড রাকিন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ স একে ইকরামুজ্জামান এবং স্টার সিরামিক প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান। বর্তমানে তারা জামিনে আছেন।

২০১৯ সালের ১৩ মে উত্তরা পশ্চিম থানায় ফালুসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুবাইয়ে ১৮৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচারের অভিযোগে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করে দুদক।

মামলার এজাহার মতে, ফালু ও অপর তিন ব্যবসায়ী আর এ কে সিরামিকস ও রাকিন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির এমডি এস এ কে একরামুজ্জামান, স্টার সিরামিকস লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান এবং পরিচালক ম. আমির হোসাইন দুবাইতে ২০১০ সালে আল মদিনা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, ট্রাই স্টার লিমিটেড ও ডেভেলপমেন্ট ইইউই নামে তিনটি প্রতিষ্ঠান চালু করেন।

এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে আসামিরা অবৈধভাবে দুবাই থেকে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচার করেন বলে অভিযোগ। আদালতের নির্দেশ মতে, এ মামলার সূত্রে দুদক ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর ফালুর ৩৪৩ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রোক করে।

পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে দুদকের সহকারী পরিচালক ও এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ম. গুলশান আনোয়ার প্রধান গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ফালুসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

ADS ADS

প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Comments: