- অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতি আনতে চায় বাংলাদেশ-ভারত
- চুলে রঙ করার আগে সতর্ক থাকুন, হতে পারে যেসব ক্ষতি
- সমাজের সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
- লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজ ও ৪টি সামরিক নৌকায় হামলা
- দেশে প্রায় এক কোটি মানুষ ভাইরাল হেপাটাইটিসে আক্রান্ত, লিভারকে সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা দিয়ে স্কুল-কলেজে চিঠি
- টেস্ট বিশ্বকাপের ফাইনালের দৌড়ে বাংলাদেশ, ছিটকে গেল পাকিস্তান
- চার দেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সতর্ক করল দূতাবাস
- নামাজে কিবলামুখী হওয়ার বিধান ও সীমা কতটুকু?
- ঢাকার কোন কোন পথে চলবে পিংক বাস, ভাড়া কত? জানুন বিস্তারিত
স্বাস্থ্য ঠিক রেখে ওজন কমাতে মেনে চলুন এই ৩ পরামর্শ
অনেকেই কোনো অনুষ্ঠান, ভ্রমণ বা বিশেষ উপলক্ষ সামনে রেখে দ্রুত ওজন কমানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু অল্প সময়ে অতিরিক্ত ওজন কমানোর লক্ষ্য শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন কমানোর মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত সুস্থ থাকা, শুধু রোগা দেখানো নয়।
ভারতের পুষ্টিবিদ ঋজুতা দিবেকর, যিনি বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের পুষ্টি পরামর্শক হিসেবেও পরিচিত, স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন কমানোর জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন।
১. দ্রুত নয়, ধীরে ধীরে ওজন কমান
অনেকেই ২–৩ মাসে ১০–১৫ কেজি ওজন কমানোর লক্ষ্য ঠিক করেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, খুব দ্রুত ওজন কমলে শুধু শরীরের চর্বিই নয়, পেশিও ক্ষয় হতে পারে। এতে দুর্বলতা, ক্লান্তি, ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যাওয়া এবং ত্বক ঝুলে পড়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
তিনি বলেন, ওজন কমানোর একটি স্বাভাবিক গতি থাকা উচিত। সাধারণভাবে বছরে মোট শরীরের ওজনের ৫–১০ শতাংশ কমানো স্বাস্থ্যসম্মত লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। এতে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা মিলতে পারে।
২. পরিচিত ও সুষম খাবারই যথেষ্ট
ওজন কমাতে গিয়ে অনেকেই পরিচিত খাবার বাদ দিয়ে বিদেশি বা ব্যয়বহুল খাবারের ওপর নির্ভর করেন। তবে বিশেষজ্ঞের মতে, প্রয়োজন নেই এমন পরিবর্তনের।
মাছ-ভাত, মাংস-ভাত, রুটি-তরকারি, ইডলি, দোসা বা স্থানীয় স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়েই ওজন নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো খাবারে যেন পর্যাপ্ত প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, স্বাস্থ্যকর চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ থাকে এবং মোট ক্যালোরি গ্রহণ পরিমিত হয়।
৩. কোনো একক খাবার ওজন কমানোর জাদু নয়
অনেকেই মনে করেন, নির্দিষ্ট কোনো ‘সুপারফুড’, ডিটক্স পানীয় বা বিশেষ একটি খাবার দ্রুত ওজন কমিয়ে দিতে পারে। কিন্তু বাস্তবে এমন কোনো খাবার নেই, যা একাই ওজন কমানোর নিশ্চয়তা দেয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা, পর্যাপ্ত ঘুম এবং দীর্ঘমেয়াদি জীবনযাপনের পরিবর্তনই টেকসইভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
মনে রাখবেন
ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ধৈর্যই সবচেয়ে বড় বিষয়। দ্রুত ফল পাওয়ার চেয়ে স্বাস্থ্যকর ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপনকে গুরুত্ব দিলে দীর্ঘমেয়াদে শরীর সুস্থ থাকবে এবং ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: