- ত্বকের সঙ্গে মানানসই লিপস্টিকের রঙ বাছাই করবেন যেভাবে
- ইরানকে সহায়তা করা দেশগুলোকে কঠোর হুমকি ট্রাম্পের, ‘ভয়াবহ পরিণতির’ হুঁশিয়ারি
- ২৮ আগস্ট মাঠে গড়াচ্ছে বিসিবির নতুন বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট
- ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
- সুপারন্যাচারাল থ্রিলার নিয়ে জুটি বাঁধছেন সাইফ-কিয়ারা
- একাদশে শ্রেণিতে ভর্তিতে বড় পরিবর্তন
- ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে ৫ খাবার খান
- ট্রাইব্যুনালে অঝরে কাঁদলেন রেদোয়ানুল, বললেন- ‘সংসার চালাব, নাকি আইনজীবীর খরচ দেব’
- কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আরও ২ বাংলাদেশি শনাক্ত
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটে অংশগ্রহণ করেনি ইসলামী আন্দোলন
যেসব কারণে পেট ফাঁপে, জেনে নিন প্রতিকার
অনেকে মনে করেন শুধু ভারি কিংবা তেল-চর্বিজাতীয় কিছু খাবার খেলেই পেট ফেঁপে যায়। কিন্তু বাস্তবে মানসিক চাপ, খাওয়ার ধরন এবং কিছু নির্দিষ্ট খাবারের সংমিশ্রণও এর জন্য দায়ী হতে পারে। সে জন্য বেশি না খেলেও আপনার পেট হঠাৎ করে ফুলে যেতে পারে। টান টান লাগতে পারে কিংবা অস্বস্তি লাগতে পারে।
আর বর্তমানে পেট ফাঁপা হজমজনিত সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি। মাঝে মাঝে এমনটি হওয়া স্বাভাবিক হলেও যদি নিয়মিত হয়, তাহলে বুঝতে হবে— আপনার দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের সঙ্গে আপনার শরীর ঠিকভাবে মানিয়ে নিতে পারছে না।
চলুন জেনে নেওয়া যাক, কেন পেট ফাঁপা হয়—
স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া
মটরশুটি, ব্রকলি, বাঁধাকপি ও মসুর ডালের মতো খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও গাঁজনযোগ্য কার্বোহাইড্রেট থাকে। এগুলো পুষ্টিকর হলেও অতিরিক্ত খেলে গ্যাস হতে পারে। তাই একবারের বেশি ফাইবার না খেয়ে ধীরে ধীরে খাদ্যতালিকায় যোগ করা ভালো, যাতে অন্ত্র সহজে মানিয়ে নিতে পারে।
দুগ্ধজাত খাবার
ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা থাকলে দুধ, পনির কিংবা আইসক্রিম খাওয়ার পর পেট ফাঁপা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে খাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর অস্বস্তি হলে বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এক সপ্তাহ দুগ্ধজাত খাবার বাদ দিয়ে দেখলে পার্থক্য বোঝা যেতে পারে।
মিষ্টিজাতীয় পানীয়
কোমল পানীয় কিংবা কার্বনেটেড ড্রিংকে অতিরিক্ত গ্যাস থাকে, যা পেটে জমে অস্বস্তি তৈরি করে। সরবিটল ও জাইলিটলের মতো কৃত্রিম মিষ্টিজাতীয় খাবার হজম হয় না। এসবের বদলে পানি কিংবা ভেষজ চা পান করলে উপকার পাবেন।
হরমোন পরিবর্তন
অনেক নারীর ক্ষেত্রে মাসিকের আগে পেট ফাঁপা বেড়ে যায়। হরমোনের ওঠানামার কারণে শরীরে পানি জমতে থাকে এবং হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। তাই লক্ষণগুলো কখন হচ্ছে তা খেয়াল করলে কারণ বোঝা সহজ হয়।
মানসিক চাপ ও উদ্বেগ
মস্তিষ্ক ও অন্ত্রের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। অতিরিক্ত চাপ হজমে প্রভাব ফেলে এবং অন্ত্রে খাবার দীর্ঘ সময় আটকে থাকলে গ্যাস তৈরি হতে পারে। নিয়মিত ব্যায়াম, শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন, পর্যাপ্ত ঘুম ও সচেতনভাবে খাওয়া— এ সমস্যা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
খুব দ্রুত খাওয়া
খুব কম সময়ে ১০ মিনিটের মধ্যে খাবার শেষ করলে খাবারের সঙ্গে বেশি বাতাস পেটে ঢুকে যায়। দ্রুত খেলে খাবার ঠিকমতো চিবানো হয় না। ফলে হজমে সমস্যা হয় এবং গ্যাস তৈরি হয়। তাই ধীরে সুস্থে, ভালোভাবে চিবিয়ে এবং খাওয়ার সময় অপ্রয়োজনীয় কথা না বলে খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: