- ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে অন্ধপ্রদেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, নিহত ২
- মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি
- অনলাইন গেমের নেশা মানসিক অসুখ, মুক্তির উপায়
- বাংলাদেশের পাঁচ খাতে বিনিয়োগে জাপানি কোম্পানিগুলোকে আহ্বান তারেক রহমানের
- পেটের চর্বি কি পুরুষের যৌনক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে?
- ব্যালন ডি’অরে কে কোন পুরস্কার জিতলেন, জেনে নিন
- আইইডিসিআর পরিচালকের ওপর হামলা ঘটনায় জামায়াতের নিন্দা
- খেজুরের বিস্ময়কর গুণ
- ৭ নভেম্বর দেশের সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে
- আগামী বছর থেকে স্কুলে জাপানিসহ কয়েকটি বিদেশি ভাষা চালুর পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী
কাঁচা মরিচের কেজি ১০০০ টাকা!
নেত্রকোনা শহরের মোক্তারপাড়া এলাকার বাসিন্দা শ্যামলেন্দু পাল। শনিবার সকাল ১০টার দিকে শহরের জয়ের বাজারে যান শাকসবজি কিনতে। কেনাকাটা শেষে কাঁচা মরিচের দাম জানতে চেয়েই অবাক হন তিনি। কারণ কাঁচা মরিচের প্রতি কেজির খুচরা দাম হাঁকা হচ্ছে ১০০০ টাকা!
তবে এক কেজি নিলে দাম ৯০০ টাকা বলে জানালেন দোকানি। অবশ্য কাঁচা মরিচ ছাড়া অন্য সব সবজির দাম খানিকটা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।
আজ শনিবার শহরের মেছুয়া বাজার, আখড়ার মোড়, জয়ের বাজার, সাতপাই লেভেল ক্রসিং বাজার ও আনন্দ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারি বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা দরে। আর দোকান থেকে এক কেজির কম নিলে প্রতি কেজি দাম পড়ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা।
খুচরায় ২৫০ গ্রাম কিনলে ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা ও আধা কেজি কিনলে বিক্রেতারা নিচ্ছেন ৪৫০ থেকে ৪৮০ টাকা। ১০০ গ্রাম নিলে দাম রাখছেন ১০০ টাকা। এতে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম পড়ছে ১০০০ টাকা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার ১০ উপজেলা ও পাঁচ পৌর সভাসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের হাট-বাজারগুলোতে ৯৫০-১০০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। অন্যান্য সবজিও বেশ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার রামপুর এলাকার শফিকুল ইসলাম। তিনি বাস করেন শহরের কুড়পাড় এলাকায়। শনিবার সকালে শহরের জয়ের বাজারে সবজি কিনতে গিয়ে জানালেন, বিশ্বের আর কোনো দেশে বাজার এতো অস্তির নেই। বাজারে কোনো তদারকি নেই। যে যেভাবে পারে দাম রাখছে। সাধারণ ক্রেতাদের এখন ত্রাহী অবস্থা। স্থানীয় প্রশাসন বাজার মনিটরিং করলে এই অবস্থা হতো না।
শহরের মুক্তারপাড়া এলাকার বাসিন্দা হায়দার জাহান চৌধুরী বলেন, বাজারে কাঁচা মরিচ কিনতে গিয়ে অবাক হয়েছি। কাঁচা মরিচের দাম ১০০০ টাকা কেজি। কিভাবে একজন গরীব মানুষ সংসার চালাবে। যেখানে আমরা মধ্যবিত্তরাই হিমশিম খাচ্ছি। সেখানে একজন নিন্ম আয়ের মানুষ কিভাবে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে খেয়ে পরে বেঁচে থাকবে। সরকারের তদারকি থাকলে এমন হতো না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেছেন, ১০ দিন আগেও প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। এখন তা ১০০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। অর্থাৎ বেড়েছে প্রায় ৮০০ টাকা।
বিক্রেতারা বলছেন, ঈদ ও টানা বৃষ্টি এবং বন্যার কারণে জোগান কম হওয়ায় দাম বাড়ছে। বৃষ্টির কারণে মরিচের সরবরাহ কমে গেছে। ঈদের ছুটি থাকায় বাজারে কাঁচা মরিচ কম এসেছে। তাই দামও বেড়েছে।
তবে করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজিতে, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা, ঢেরস ৫০-৬০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা এবং পোটল ৪০-৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। লেবু প্রতি হালি ৪০ টাকা এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ বলেন, যখন মোবাইল কোর্ট থাকে তখন বাজার কমে যায়। আবার বাজার থেকে চলে আসলেই দাম বেড়ে যায়। আমরা ঈদের আগের দিনও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছি। আজও বাজার তদারকিতে পাঠানো হচ্ছে।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: