- ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে অন্ধপ্রদেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, নিহত ২
- বাংলাদেশের মাটিতে আ. লীগের রাজনীতি করার অধিকার নেই: গোলাম পরওয়ার
- বাংলাদেশের পাঁচ খাতে বিনিয়োগে জাপানি কোম্পানিগুলোকে আহ্বান তারেক রহমানের
- ব্যালন ডি’অরে কে কোন পুরস্কার জিতলেন, জেনে নিন
- খেজুরের বিস্ময়কর গুণ
- জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী
- মৌলভীবাজারে হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড
- ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ আমরা শুরু করিনি: ট্রাম্প
- অনলাইন গেমের নেশা মানসিক অসুখ, মুক্তির উপায়
- আগামী বছর থেকে স্কুলে জাপানিসহ কয়েকটি বিদেশি ভাষা চালুর পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী
দেশি পেঁয়াজে এখনও ঝাঁজ, ব্রয়লার ২০০
আমদানির পরও এখনো উচ্চ দরে স্থির হয়ে আছে দেশি পেঁয়াজের বাজার। যদিও ভারতীয় পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমতির দিকে। এদিকে আবারও ২০০ টাকা ছুঁয়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। দু-তিনটি ছাড়া বেশিরভাগ সবজি ৬০ টাকার ঘরে রয়েছে। শুক্রবার (১৬ জুই) ঢাকার কারওয়ান বাজার, তেজগাঁও কলোনি বাজার ও হাতিরপুল কাঁচাবাজারে গিয়ে এসব তথ্য জানা গেছে।
এর আগে, দু’মাস আমদানি বন্ধ থাকায় পেঁয়াজের বাজার বেশ চড়েছিল। তবে সরকার আমদানির অনুমতি দেওয়ার পর প্রতিদিনই কমবেশি পেঁয়াজ আসছে ভারত থেকে। তবু কমেনি দেশি পেঁয়াজের দাম। আমদানি শুরুর পর দুই ধাপে কমে যেখানে এসেছিল, এক সপ্তাহ ধরে সেখানেই আটকে আছে দাম। কোনো কোনো বাজারে দেশি পেঁয়াজের কেজি ৭০, কোথাও ৭৫, আবার কোথাও ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহেও একই দর ছিল।
পাশাপাশি ভারতীয় ভালো মানের পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫৫ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। তবে আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজের মান খুব একটা ভালো দেখা যায়নি। বিক্রেতারা এ ধরনের পেঁয়াজের কেজি ৩৩ থেকে ৩৫ টাকা দরে বিক্রি করছেন।কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজ-রসুন বিক্রেতা শাকিল জানান, ভারতীয় পেঁয়াজের বেশিরভাগই পচা। সেগুলো কম দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশি পেঁয়াজের চাহিদা বেশি। এ কারণে খুব একটা কমেনি দেশি পেঁয়াজের দর।
এদিকে বাজারে আসতে শুরু করেছে নতুন নির্ধারিত কম দামের ভোজ্যতেল। খুচরা ব্যবসায়ীরা বোতলজাত এক লিটার ১৮৯ এবং পাঁচ লিটার ৯২০ টাকায় বিক্রি করছেন। আর খোলা সয়াবিন ১৬৭ এবং পাম তেলের লিটার ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কোনো কোনো বাজারে আগের বেশি দামের বোতলই নতুন কম দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে গত সপ্তাহের চেয়ে ব্রয়লার মুরগির দাম বেশ বাড়তি।
রোজা শুরু হওয়ার পর ধাপে ধাপে বেড়ে ২০০ থেকে ২১০ টাকায় উঠেছিল ব্রয়লারের দাম। ধীরে ধীরে কমে গত সপ্তাহে ব্রয়লারের কেজি বিক্রি হয়েছিল ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা। এখন বেশিরভাগ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি দরে।যদিও দর কষাকষির মাধ্যমে বিক্রেতাদের কেউ কেউ কেজিতে ৫ টাকা ছাড় দিচ্ছেন। সোনালি জাতের মুরগিতে তেমন বদল হয়নি। আগের মতোই কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ২৯০ টাকায়।
গত সপ্তাহের মতো ডিমের ডজনও ১৪০ টাকায় বিক্রি করছেন খুচরা বিক্রেতারা। তবে সবজির বাজার কিছুটা নিম্নগতি। তিন-চারটি ছাড়া বেশিরভাগ সবজি মিলছে ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে। তবে গাজর কিনতে গুনতে হবে কেজিতে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। কচুরমুখী পাওয়া যাচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। মৌসুম শেষ হয়ে আসায় বাড়তে শুরু করেছে টমেটোর দাম। গত সপ্তাহে টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭৫ টাকা। ভালো ফলনের পরও মাস খানেক আলুর দাম ছিল চড়া। কেজি বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৪২ টাকা দরে। এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৪ থেকে ৩৬ টাকায়।
এদিকে চালের বাজারে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। সরকারি সংস্থা টিসিবির তথ্য বলছে, বাজারে সরু চালের কেজি ৬০ থেকে ৭৫, মাঝারি চাল ৫০ থেকে ৫৫ এবং মোটা চালের কেজি ৪৮ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: