- ঢাকার কোন কোন পথে চলবে পিংক বাস, ভাড়া কত? জানুন বিস্তারিত
- ২১ ঘণ্টা নাটকীয়তার পর মুক্তি পেলেন সেই মাহদী
- চুলে রঙ করার আগে সতর্ক থাকুন, হতে পারে যেসব ক্ষতি
- ১৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৩ হাজার কোটি টাকা
- শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্থায়ী কমিটির নতুন চার সদস্যের শ্রদ্ধা
- ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে বড় পরিবর্তনের আভাস
- লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজ ও ৪টি সামরিক নৌকায় হামলা
- নামাজে কিবলামুখী হওয়ার বিধান ও সীমা কতটুকু?
- ভেনিস-টরন্টোর পর লন্ডন উৎসবেও বাংলাদেশের সিনেমা
- সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশের আবেদন
ফজলে লোহানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ
বিশিষ্ট টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ফজলে লোহানীর মৃত্যুবার্ষিকী ৩০ অক্টোবর। ১৯৮৫ সালে এই দিনে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ৫৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
তিনি ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক, লেখক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব। চলচ্চিত্র প্রযোজক হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনের ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘যদি কিছু মনে না করেন’র উপস্থাপক হিসেবে তিনি বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন। কাজে কর্মে তিনি ছিলেন দুঃসাহসী। মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে তিনি শুনেছেন মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কথা। তিনিই সূচনা করেছিলেন টিভি রিপোর্টিং।
সদা হাস্যোজ্জ্বল ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন রুচিবান এ মানুষটি ১৯২৮ সালের ১২ মার্চ সিরাজগঞ্জ জেলার কাউলিয়া গ্রামে এক শিক্ষিত ও সংস্কৃতিবান মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা আবু লোহানী ছিলেন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক। মা ফাতেমা লোহানী ছিলেন কলকাতা করপোরেশন স্কুলের শিক্ষিকা। বড় ভাই ফতেহ লোহানী ছিলেন বিশিষ্ট অভিনেতা, আবৃত্তিকার, চিত্রপরিচালক, সাহিত্যিক, অনুবাদক ও বেতার ব্যক্তিত্ব।
ফজলে লোহানী সিরাজগঞ্জ বিএল স্কুল থেকে ম্যাট্রিক এবং কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিএসসি পাস করেন। ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে এমএসসি ক্লাসে ভর্তি হলেও চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেননি। ভারত বিভাগের পর তিনি অন্য কয়েকজনের সাথে ঢাকা থেকে সাপ্তাহিক পূর্ববাংলা নামে একটি পত্রিকা প্রকাশের সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৪৯ সালে তার সম্পাদনায় ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক মাসিক পত্রিকা অগত্যা। পঞ্চাশের দশকে তিনি ইংল্যান্ড যান এবং লন্ডনের বিবিসির ওয়ার্ল্ড সার্ভিসে চাকরি করেন।
ষাটের দশকের শেষ দিকে বাংলাদেশে ফিরে এসে ফজলে লোহানী সাংবাদিকতা ও লেখালেখিতে আত্মনিয়োগ করেন। এ সময় মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দেন এবং মওলানা ভাসানীর সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ টেলিভিশনে শিক্ষা ও বিনোদনমূলক বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপস্থাপনা ও পরিচালনা করে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। লেখক হিসেবেও তিনি অনেক সুনামের অধিকারী ছিলেন। সর্বশেষ ফজলে লোহানী ‘পেনশন’ নামে একটি সৃজনশীল চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: