- নারীসহ ফ্ল্যাটে সাবেক ওসি, ধরিয়ে দিলেন ‘ষষ্ঠ স্ত্রী’
- সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একাধিক বিস্ফোরণ
- জুমার নামাজের সময় পুলিশ কম্পাউন্ডে বিস্ফোরণ, নিহত ১৬
- রংপুর অভিমুখে আট দফা দাবিতে ১১ দলের লংমার্চ শুরু
- দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লম্ফন
- রংপুর অভিমুখী লংমার্চ হবে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক: গোলাম পরওয়ার
- বিকাশ-নগদ-রকেটসহ সব ব্যাংকের জন্য নতুন নির্দেশনা
- মানিকগঞ্জে একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার
- শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
- নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি
ওয়াই-ফাই ধীরগতির, রাউটারের একটি সেটিং বদলালেই মিলতে পারে সমাধান
বাসা বা অফিসে ধীরগতির কিংবা বারবার বিচ্ছিন্ন হওয়া ওয়াই-ফাই সংযোগ অনেকেরই নিত্যদিনের সমস্যা। বেশির ভাগ ব্যবহারকারী এ সমস্যার সমাধানে রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন করেন বা অ্যান্টেনার দিক ঘুরিয়ে দেখেন। তবে নেটওয়ার্ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেটিং পরিবর্তন করলেই অনেক ক্ষেত্রে সংযোগের গতি ও স্থিতিশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘চ্যানেল উইডথ’ বা ‘চ্যানেল ব্যান্ডউইডথ’ নামের সেটিংটি নির্ধারণ করে রাউটার কতটুকু বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান করবে। অধিকাংশ আধুনিক রাউটারে ২.৪ গিগাহার্টজ ব্যান্ডে ৪০ মেগাহার্টজ এবং ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ডে ৮০ মেগাহার্টজ সেটিং ডিফল্টভাবে চালু থাকে। অনেক রাউটারে এটি ‘অটো’ মোডেও থাকে।
যদিও বেশি চ্যানেল ব্যবহারে তাত্ত্বিকভাবে ইন্টারনেটের গতি বাড়তে পারে, তবে আশপাশে অনেক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক থাকলে এতে সিগন্যালের মধ্যে হস্তক্ষেপও বেড়ে যায়। বিশেষ করে বহুতল ভবন বা ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় একই ফ্রিকোয়েন্সিতে একাধিক রাউটার চলায় সংযোগ অস্থির হয়ে পড়তে পারে।
এ কারণে বিশেষজ্ঞরা ২.৪ গিগাহার্টজ ব্যান্ডের চ্যানেল উইডথ ২০ মেগাহার্টজে নামিয়ে আনার পরামর্শ দিচ্ছেন। এতে পাশের নেটওয়ার্কের সঙ্গে হস্তক্ষেপ কমে এবং সংযোগ আরও স্থিতিশীল হতে পারে। অন্যদিকে ৫ ও ৬ গিগাহার্টজ ব্যান্ডে তুলনামূলক বেশি চ্যানেল থাকায় সেখানে হস্তক্ষেপের ঝুঁকি কম থাকে। তবে প্রয়োজন হলে এসব ব্যান্ডের চ্যানেল উইডথও কমানো যেতে পারে।
চ্যানেল উইডথ পরিবর্তনের জন্য ব্যবহারকারীকে ওয়েব ব্রাউজারে রাউটারের প্রশাসনিক ঠিকানা—যেমন ১৯২.১৬৮.০.১ বা ১৯২.১৬৮.১.১—লিখে লগইন করতে হবে। এরপর ‘ওয়্যারলেস সেটিংস’ থেকে চ্যানেল উইডথ পরিবর্তন করে সেটি সংরক্ষণ করতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নতুন সেটিং কয়েক দিন ব্যবহার করে এর কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত। যদি সংযোগ আরও খারাপ হয়, তাহলে আগের ডিফল্ট সেটিংয়ে ফিরে যাওয়া যাবে। পাশাপাশি ‘ওয়াই-ফাই অ্যানালাইজার’ অ্যাপ ব্যবহার করে কম ব্যস্ত চ্যানেল নির্বাচন করলে সংযোগের মান আরও উন্নত হতে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, সবার জন্য একই সেটিং কার্যকর হবে না। আশপাশের ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সংখ্যা, বাসার কাঠামো এবং ব্যবহৃত রাউটারের মডেলের ওপর নির্ভর করে সর্বোত্তম সেটিং ভিন্ন হতে পারে।
সূত্র: সামা টিভি
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।























Comments: