- চট্টগ্রামে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু ২৭ জুলাই
- স্পিকার দেশে ফিরলেই পদত্যাগপত্র দিতে পারেন রাষ্ট্রপতি
- আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে পতন
- ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ
- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়া লাইফ সাপোর্টে
- যন্তর মন্তর অভিমুখে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের আটকে দিচ্ছে দিল্লি পুলিশ
গরমে মুখ ভরে যাচ্ছে লালচে র্যাশে, ঘরোয়া উপকরণ ব্যবহারেই সমাধান
গরমে ঘাম জমে ত্বকে চুলকানি, র্যাশ কিংবা ঘামাচির সমস্যা অনেকেরই হয়। আরও একটি সমস্যা দেখা দেয়, তা হচ্ছে— ‘নিকেল অ্যালার্জি’। আংটি, চুড়ি কিংবা ঘড়ি অথবা ধাতব কিছু থেকে এক রকম চর্মরোগ হতে দেখা যায়। এতে ত্বকে জ্বালা ও চুলকানি বাড়ে। কারও ত্বকে বড় বড় ফোসকা পড়ে। এতে ত্বকের রঙও বদলে যায়। এ বিষয়ে ত্বক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরমের সময়ে হিট র্যাশ ও কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিসের সমস্যা বাড়ে। এর থেকে রেহাই পেতে ঘরোয়া কিছু টোটকাই কাজে আসতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন ফেসপ্যাক ব্যবহার করবেন—
চন্দন ও গোলাপজলের প্যাক
চন্দন ও গোলাপজলের প্যাক বানিয়ে ফেলুন। চন্দনের প্রদাহনাশক গুণ ত্বকের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। আর র্যাশের সমস্যা দূর করে। ১ টেবিল চামচ খাঁটি চন্দনগুঁড়ো এবং প্রয়োজনমতো গোলাপজল মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে নিতে পারেন। এতে মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রাখুন, তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
শসা ও টকদইয়ের প্যাক
শসা ত্বককে ঠান্ডা করে রাখে এবং টকদইয়ে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের চুলকানি ও সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করে। অর্ধেক শসার রসের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ টকদই মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে ফেলুন। তা মুখ ও হাতে মেখে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
কটি পাত্রে দুই চামচ করে চিনি, কফি ও মধু মিশিয়ে নিন। এরপর মিশ্রণটি ত্বকে ভালো করে মালিশ করে ১৫ মিনিটের মতো রেখে দিন। এরপর তা ধুয়ে নিয়ে ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। এ পদ্ধতি রক্ত চলাচল বাড়াতে সাহায্য করে। আর ত্বক আরও উজ্জ্বল দেখায়।
তরমুজ প্যাক
ত্বকের প্রদাহ কমাতে ও ত্বক আর্দ্র রাখতে তরমুজের জুড়ি মেলা ভার। এক কাপের মতো তরমুজ কুচি নিয়ে তা ব্লেন্ড করে নিন। এটি ত্বকে লাগিয়ে রাখলে চুলকানি কমবে। র্যাশের সমস্যাও দূর হবে।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: