- সরকারি প্রতিষ্ঠানে কোনো দুর্নীতি থাকবে না: প্রধান উপদেষ্টা
- পিএসএল খেলতে মোস্তাফিজুর রহমানকে এনওসি দিচ্ছে বিসিবি
- ২০ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা
- ডায়াবেটিস আক্রান্তরা কি সফেদা খেতে পারবেন, জেনে নিন
- ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তারেক রহমানের শেষ নির্বাচনি জনসভা
- কাঁচা ডিমে চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ে কয়েকগুণ
- নতুন ভাইরাসে মহামারির আশঙ্কা, যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা
- চার দিনে প্রবাসী আয় ৬১৭৩ কোটি টাকা
- খামেনিকে নতুন হুমকি ট্রাম্পের
- স্মার্টফোন যেভাবে শনাক্ত করতে পারে ভূমিকম্প
ডায়াবেটিস আক্রান্তরা কি সফেদা খেতে পারবেন, জেনে নিন
সফেদা তার গাঢ় মিষ্টি স্বাদের জন্য অনেকেরই প্রিয় একটি ফল। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ফল খাওয়া নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা সতর্কতা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীরা সফেদা পুরোপুরি বাদ না দিলেও এটি খেতে হবে সীমিত পরিমাণে এবং নিয়মিত নয়।
সফেদার গ্লাইসেমিক সূচক মাঝারি, প্রায় ৫৫ থেকে ৬৫। অর্থাৎ পরিমাণের দিকে খেয়াল না রাখলে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। যদিও সফেদায় থাকা ফাইবার ফলের চিনি ধীরে ধীরে শরীরে প্রবেশ করতে সাহায্য করে, তবু এখানে পরিমিত খাওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, সফেদা খালি পেটে না খেয়ে খাবারের পরে মাঝে মাঝে কয়েক টুকরো খাওয়া যেতে পারে। তবে যাদের রক্তে শর্করার মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত, তাদের ক্ষেত্রে এই ফল সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলাই নিরাপদ।
সফেদার কয়েকটি উপকারিতা সম্পর্কে চলুন জেনে নেওয়া যাক-
১. হজম স্বাস্থ্যের জন্য ভালো
সফেদায় পর্যাপ্ত ডায়েটারি ফাইবার রয়েছে, যা অন্ত্রের গতি নিয়মিত রাখতে সাহায্য করে। ফাইবার হজমকে কিছুটা ধীর করে দেয়, যা শরীরকে প্রাকৃতিক শর্করা স্থিরভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে এবং হজমের আরাম উন্নত করতে কাজ করে।
২. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ
জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট (NIH) অনুসারে, সফেদা প্রাকৃতিকভাবে পলিফেনল এবং ফ্ল্যাভোনয়েডের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যা শরীরকে প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। এই যৌগগুলো অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের কারণে কোষকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতেও অবদান রাখে।
৩. হাড়ের শক্তি বৃদ্ধি করে
ফলটিতে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো পুষ্টি উপাদান রয়েছে, যা সবই হাড়কে শক্তিশালী রাখতে ভূমিকা পালন করে। এই খনিজ পদার্থগুলো হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে এবং ধীরে ধীরে দুর্বলতা প্রতিরোধে অবদান রাখতে পারে। মাঝে মাঝে সফেদার মতো খনিজ সমৃদ্ধ খাবার খেলে তা সুষম খাদ্যের পরিপূরক হতে পারে।
৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
সফেদা ভিটামিন সি সহ অন্যান্য মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সরবরাহ করে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এই পুষ্টি উপাদানগুলো দৈনন্দিন সংক্রমণ এবং পরিবেশগত চাপের বিরুদ্ধে শরীরকে ভালোভাবে রক্ষা করতে সাহায্য করে। এর প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রোফাইল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও কাজ করে।
৫. ত্বকের স্বাস্থ্যে সাহায্য করতে পারে
সফেদার ভিটামিন ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বক সুস্থ রাখতে কাজ করে। এই পুষ্টি উপাদানগুলো বার্ধক্যের প্রাথমিক লক্ষণ হ্রাস করতে এবং ত্বককে হাইড্রেটেড ও পুষ্ট করতে সাহায্য করে। সুষম খাদ্যের অংশ হিসাবে মাঝে মাঝে সফেদা খেলে তা ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: