- মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি
- ৭ নভেম্বর দেশের সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে
- ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে অন্ধপ্রদেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, নিহত ২
- অনলাইন গেমের নেশা মানসিক অসুখ, মুক্তির উপায়
- মাদরাসায় বেশি জিপিএ-৫, এবার স্কুলের সঙ্গে একই প্রশ্নে পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী
- ব্যালন ডি’অরে কে কোন পুরস্কার জিতলেন, জেনে নিন
- বাংলাদেশের পাঁচ খাতে বিনিয়োগে জাপানি কোম্পানিগুলোকে আহ্বান তারেক রহমানের
- ১৮৫ কেন্দ্রের ১১৫টিই ঝুঁকিপূর্ণ, কড়া নিরাপত্তায় মাঠে এসআরবি
- পেটের চর্বি কি পুরুষের যৌনক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে?
- খেজুরের বিস্ময়কর গুণ
রাজধানীতে চলছে ঢিলেঢালা অবরোধ, বেড়েছে যান চলাচল
সরকারের পদত্যাগের এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিলকে অবৈধ ঘোষণা করে তা প্রত্যাখ্যান করে বিএনপি ও তাদের সমমনা দলের ৬ষ্ঠ দফায় ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ চলছে।
বুধবার সকাল ছয়টা থেকে এ অবরোধ শুরু হয়, চলবে শুক্রবার ভোর ৬টায় পর্যন্ত চলবে। অবরোধের প্রথম দিনে রাজধানীর সড়কে তেমন প্রভাব দেখা যায়নি।
অবরোধ শুরুর আগেরদিন রাতেই (মঙ্গলবার) রাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় রাইদা নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয় দুর্বিত্তরা। এছাড়াও দেশের কয়েকটি জায়গায় বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
বুধবার ভোর থেকে রাজধানীতে অবরোধের তেমন প্রভাব পরেনি। সড়কে যান চলাচল কিছুটা কম থাকলেও রয়েছে যাত্রীদের চাপ। কর্মব্যস্ত মানুষ প্রতিদিনের মতই ঘর থেকে বেড় হয়েছে গন্তব্য স্থলে।
বিভিন্ন এলাকার সড়কগুলোতে সকাল সাড়ে ৭টা থেকেই যাত্রীদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। এদিকে নগরী থেকেও ছেড়ে যাচ্ছে দুরপাল্লার গণপরিবহন। রাজধানীতে প্রবেশ করছে পণ্যবাহী পরিবহনও।
কেরানীগঞ্জ এলাকায় সকাল সকাল ৭টার পর থেকে বাড়তে থাকে যাত্রী ও গণপরিবহনের সংখ্যা। কদমতলি এলাকায় প্রতিদিনের মতোই সেখানে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।
কেরানীগঞ্জের বাসিন্দা আকাশ বর্মন ঢাকা টাইমসকে বলেন, অবরোধ দিয়া। কী করুম, পেট চালাইতে হইলেতো বাইরোইতে হইবোই। এইসব অবরোধ পাবলিক মানে না। দেহেন না রাস্তায় কত মানুষ। সবইতো চলতাছে, কোন কিছু থাইমা নাইকা।
রাজধানীর শ্যামপুর জুরাইনের পরিস্থিতিও একই রকম দেখা গেছে। খেটে খাওয়া দিনমজুর থেকে শুরু করে সব শ্রেনিপেশার মানুষই বাইরে বেড় হয়েছেন।
জুরাইনের বাসিন্দা ফরিদা আক্তার ঢাকা টাইমসকে বলেন, অবরোধ থাকলে কি হইছে, বাচ্চাদের স্কুল আছে, তাদের পরীক্ষা চলে, বাইরেতো বেড় হতে হবেই।
শনির আখাড় পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন চোখে পড়েছে। যাত্রীদের চাপ থাকলেও এই রুটে গণপরিবহনের সংখ্যা কম দেখা গেছে। তবে প্রাইভেট পরিবহনের সংখ্যা অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে।
এদিকে কাজলা ও যাত্রাবাড়ী সড়কে সকাল ৮টা থেকেই যানযট লক্ষ করা গেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে যাত্রী ও পরিবহনের সংখ্যাও। এই এলাকার যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে ভোর থেকেই।
উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশে সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে ২৯ অক্টোবর হরতাল এবং ৩১ অক্টোবর, ১ ও ২ নভেম্বর মোট তিন দিনের অবরোধ কর্মসূচি পালন করে বিএনপি।
এরপর ৫ ও ৬ নভেম্বর দ্বিতীয় দফা, ৮ ও ৯ নভেম্বর তৃতীয়, ১১ ও ১২ নভেম্বর চতুর্থ, ১৫ ও ১৭ নভেম্বর পঞ্চম দফায় ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ ডাকা হয়।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: