- অনলাইন গেমের নেশা মানসিক অসুখ, মুক্তির উপায়
- আইইডিসিআর পরিচালকের ওপর হামলা ঘটনায় জামায়াতের নিন্দা
- ১৮৫ কেন্দ্রের ১১৫টিই ঝুঁকিপূর্ণ, কড়া নিরাপত্তায় মাঠে এসআরবি
- খেজুরের বিস্ময়কর গুণ
- ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে অন্ধপ্রদেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, নিহত ২
- ৭ নভেম্বর দেশের সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে
- ব্যালন ডি’অরে কে কোন পুরস্কার জিতলেন, জেনে নিন
- বাংলাদেশের পাঁচ খাতে বিনিয়োগে জাপানি কোম্পানিগুলোকে আহ্বান তারেক রহমানের
- আগামী বছর থেকে স্কুলে জাপানিসহ কয়েকটি বিদেশি ভাষা চালুর পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী
- মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি
জুমার দিন সূরা কাহাফ তেলাওয়াতের ফজিলত
উত্তর দিয়েছেন
মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী
খতিব, পীর ইয়ামেনী জামে মসজিদ, গুলিস্তান, ঢাকা
জাবিয়া ইমরানা
মানিকনগর, মুগদা, ঢাকা
প্রশ্ন : জুমার দিন সূরা কাহাফ পড়ার ফজিলত কী? কখন পড়বে? জুমার নামাজের আগে? না, পরে?
উত্তর : জুমার দিন সূরা কাহাফ তেলাওয়াতের অনেক ফজিলত হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। হজরত আবু সাইদ খুদরি (রা.) বলেন, প্রিয় নবি হজরত মুহাম্মদ (সা.) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা কাহাফ তেলাওয়াত করবে। এক জুমা থেকে আরেক জুমা পর্যন্ত তার জন্য বিশেষ জ্যোতি ও আলো হবে।
হজরত আলি (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা কাহাফ তেলাওয়াত করবে, সে ব্যক্তি পুরো সপ্তাহ সব ধরনের ফেতনা-ফ্যাসাদ থেকে নিরাপদ থাকবে। দাজ্জালের ফেতনা থেকেও নিরাপদ থাকবে।
জুমার দিন যে কোনো সময় সূরা কাহাফ পড়া যাবে। জুমার নামাজের আগেও পড়া যাবে, পরেও পড়া যাবে। সূরা কাহাফের তেলাওয়াতের ফজিলত জুমার দিনের সঙ্গে। জুমার নামাজের সঙ্গে নয়। তাই সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত যে কোনো সময় পড়া যাবে। এমনকি জুমার রাতে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পড়লেও এই ফজিলত অর্জন করা যাবে।
তথ্যসূত্র : মিশকাত শরিফ, খণ্ড : ১ পৃষ্ঠা : ১৭৯, হাদিস নং ২১১৬, তাফসিরে ইবনে কাসির খণ্ড : ৩ পৃষ্ঠা : ৭১, কিতাবুন নাওয়াজেল, খণ্ড : ২ পৃষ্ঠা : ৪৬৬।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: