- সুপারন্যাচারাল থ্রিলার নিয়ে জুটি বাঁধছেন সাইফ-কিয়ারা
- দেশের বাজারে বাড়লো স্বর্ণের দাম
- ট্রাইব্যুনালে অঝরে কাঁদলেন রেদোয়ানুল, বললেন- ‘সংসার চালাব, নাকি আইনজীবীর খরচ দেব’
- ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
- ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে ৫ খাবার খান
- ২০২৭ সালে দেখা যাবে শতাব্দীর বিরল সূর্যগ্রহণ, দিনের বেলায় নামবে গভীর অন্ধকার
- ইরানকে সহায়তা করা দেশগুলোকে কঠোর হুমকি ট্রাম্পের, ‘ভয়াবহ পরিণতির’ হুঁশিয়ারি
- ত্বকের সঙ্গে মানানসই লিপস্টিকের রঙ বাছাই করবেন যেভাবে
- পেটব্যথা নিয়ে যে ভুলটি করেন অনেকেই, সতর্ক করলেন চিকিৎসক
- কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আরও ২ বাংলাদেশি শনাক্ত
গুলশানে এরশাদ শিকদারের মেয়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
রাজধানীর গুলশানের বাসা থেকে জান্নাতুল নওরিন এশা (৩২) নামের এক তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, এশা ২০০৪ সালে খুলনায় হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদারের মেয়ে। এশার মায়ের অভিযোগ, প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে তার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে।
শুক্রবার ভোরে পুলিশ এশাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এশার ফুফাত ভাই রুশো বলেন, আমার ফুফা মৃত এরশাদ শিকদার। তার দ্বিতীয় স্ত্রী শোভা আক্তারের মেয়ে এশা। বর্তমানে গুলশানের সুবাস্তু টাওয়ারের নবম তলায় থাকতেন ফুফু ও এশা। এশা সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেছে। এক ছেলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাদের মধ্যে মোবাইল ফোনে প্রায়ই ঝগড়া হতো। গতকাল (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায়ও তাদের ঝগড়া হয়।
রুশো আরও বলেন, রাতে মায়ের সঙ্গে খাবার খেয়ে এশা নিজের ঘরে ঘুমাতে যায়। ভোরে এশাকে ডাকাডাকি করলে সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীদের ডাকেন ফুফু। পরে দরজা ভেঙে দেখেন এশা গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, সকালে এক তরুণীকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি মর্গে রাখা হয়েছে।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: