- কাঁঠালের বিচির গুণাগুণ
- পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
- দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন
- হাত-পা বিচ্ছিন্ন করে নড়াইলে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা
- হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত হচ্ছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, যেসব সুবিধা পাবে ব্যবহারকারীরা
- হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮১০
- অবশেষে ককরোচ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে মোদি সরকার
- স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীকে রক্ষা করা অগ্রহণযোগ্য: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
- ওমরাহ পালনের পথে সৌদিতে দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু
অবশেষে ককরোচ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে মোদি সরকার
প্রশ্ন ফাঁসকে কেন্দ্র করে ভারতে চলমান রাজনৈতিক ও সামাজিক অচলাবস্থা নিরসনে তরুণদের নেতৃত্বাধীন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত দেশজুড়ে চলমান আন্দোলন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছে আন্দোলনকারীরা।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে নিরপেক্ষ পরিবেশে সরকার ও সিজেপির প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক শুরু হয়। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা প্রশ্ন ফাঁসবিরোধী আন্দোলনের মধ্যে এটিই উভয় পক্ষের প্রথম আনুষ্ঠানিক সংলাপ।
আলোচনা শুরু হলেও আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং প্রশ্ন ফাঁস রোধে পুরো পরীক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত দেশব্যাপী আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে।
এদিকে টানা ২৬ দিন অনশন চালানোর পর অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক বৃহস্পতিবার রাতে অনশন ভঙ্গ করেছেন। এতে চলমান সংকট নিরসনের একটি সম্ভাব্য পথ তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তির বিধান রেখে আইন সংশোধনের একটি খসড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনার কথা জানিয়েছেন।
তবে আন্দোলনকারীরা এই প্রস্তাবকে অপর্যাপ্ত বলে উল্লেখ করেছেন। তাদের মতে, শুধু শাস্তির বিধান কঠোর করলেই সমস্যার সমাধান হবে না; ভবিষ্যতে প্রশ্ন ফাঁস পুরোপুরি বন্ধ করতে পরীক্ষা ব্যবস্থার কাঠামোগত পরিবর্তন প্রয়োজন।
এদিকে সোনম ওয়াংচুক সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তার আলোচনার বিস্তারিত একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কর্মসংস্থানের সংকট এবং ধারাবাহিক প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ভারতীয় তরুণদের মধ্যে জমে থাকা ক্ষোভই বর্তমান আন্দোলনের প্রধান চালিকাশক্তি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বৃহস্পতিবার দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন এবং ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল, যা সাধারণ মানুষের চলাচলে ব্যাপক দুর্ভোগ সৃষ্টি করে।
দিল্লি মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল থেকে আরও ১৭টি মেট্রো স্টেশন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে এটি তৃতীয়বারের মতো বড় পরিসরে মেট্রো স্টেশন বন্ধের ঘটনা।
সূত্র: আল-জাজিরা
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।























Comments: