For Advertisement
মেহগনি এর ভেষজ উপকারিতা
মেহগনি গাছ এখন বাংলাদেশের প্রায় সব জায়গায় জন্মাতে দেখা যায়। তবে এদের আাদি নিবাস উত্তর আমেরিকার ক্রান্তিয় অঞ্চল। বিশেষ করে পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জকেই এদের আদি নিবাস হিসাবে চিহ্ণিত করা হয়ে থাকে। ইউরোপীয় বণিকদের মাধ্যমে ভারতবর্ষ্সহ পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে এই গাছটি ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার দক্ষিণে এই গাছগুলো প্রাকৃতিকভাবে জন্মে থাকে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই গাছের চাষ করা হয় । প্রজাতিভেদে বড় বা ছোট মেহেগনি নামে অভিহিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশে বসন্তকালে মেহগনিগাছের পাতা ঝরে যায়। এর কিছুদিন পর নতুন পাতা গজায়। এই গাছটি মূলত কাঠের জন্য জনসাধারণের কাছে আদৃত। এর কাঠ খুব শক্ত এবং ঘন আঁশযুক্ত। মূলত আসবাবপত্র তৈরী করার জন্য এই গাছের কাঠ ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ছায়াপ্রদানকারী বৃ্ক্ষ হিসাবে পথের পাশে এই গাছ লাগানো হয়। এই গাছটি মূলত কাঠের জন্য জনসাধারণের কাছে আদৃত । এর কাঠ খুব শক্ত এবং ঘন আঁশযুক্ত। মূলত আসবাবপত্র তৈরী করার জন্যে এই গাছের কাঠ ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ছায়াপ্রদানকারী বৃক্ষ হিসাবে পথের পাশে এই গাছ লাগানো হয়।
মেহগনির ঔষধি গুণগুণ :
ডায়াবেটিস রোগে :
ডায়াবেটিক রোগীরা রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য মেহগনি ফলের বিচির ভেতরের সাদা শাঁস পানিতে ভিজিয়ে খেতে পারেন। এতে সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
হজমশক্তি বাড়াতে :
মেহগনিগাছের বাকলের নির্যাস শক্তিবর্ধক এবং হজমশক্তি বাড়ায়।
ক্যান্সার প্রতিরোধে :
বিচি, ফল ও মূলের গুঁড়ো খেলে ক্যান্সার প্রতিরোধ হয়।
ভেষজ কীটনাশক :
মেহগনি বীজের সাদা অংশ দিয়ে তেল তৈরি হয়। এই তেল ভেষজ কীটনাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
পাখির আক্রমণ থেকে ক্ষেত বাঁচাতে :
ফসল পাখির আক্রমন থেকে বাচাতে মেহগনি গাছের ডাল কলম করে লাগিয়ে চাড়ার মত করে ক্ষতের পাশে লাগালে পাখির আক্রমন থেকে বাচা যায়। এই গাছে পাখি বাসা বানায় না এমনকি বসেওনা।
Latest
For Advertisement
- সহযোগী-সম্পাদক: হাসিনা রহমান শিপন
- সহ -সম্পাদক: রাশিকুর রহমান রিফাত
- নিউজ রুম ইনচার্জ : তাসফিয়া রহমান সিনথিয়া
Developed by WebsXplore