For Advertisement
বর্ষায় ছেলেদের ত্বকের যত্ন
ছেলেরা ত্বকের যত্নে ততটাই উদাসীন যতটা মেয়েরা আগ্রহী। কিন্তু ছেলেদেরও ত্বকের যত্নের প্রয়োজন রয়েছে। ত্বক পরিষ্কার রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বর্ষাকালের এই রোদ-এই বৃষ্টিতে নিজেকে আকর্ষণীয় ও পরিচ্ছন্ন দেখাতে মেয়েদের পাশাপাশি ছেলেদেরও উচিত ত্বকের যত্ন নেওয়া।
মেয়েদের মতো সব পুরুষের ত্বকও আলাদা আলাদা হয়। যেকোনো প্রোডাক্ট কেনার আগে বুঝতে হবে, আপনার ত্বক সেনসিটিভ, স্বাভাবিক, শুষ্ক, তৈলাক্ত না কম্বিনেশন স্কিন। সব ধরণের ত্বকের প্রয়োজন আলাদা প্রোডাক্টস। আপনার স্কিন টাইপ কেমন সেটা না বুঝতে পারলে ডার্মাটোলজিস্টের সাহায্য নিন। কারণ, ত্বকের সমস্যাকে ফেলে রাখা একেবারেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
সুন্দর ত্বক, সুন্দর চুল, সুস্বাস্থ্য পেতে হলে প্রয়োজন নিয়মিত যত্ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ব্যালেন্স ডায়েট এবং ভালো একটা ঘুম। ত্বকের যত্নে এখন ছেলেরাও অনেক সচেতন। করোনাকালীন সময়ে স্যালুনে না গিয়ে ঘরে চুল কাটানোর পাশাপাশি শ্যাম্পু, মেনিকিউর, ব্লিচ, ফেসিয়াল, ম্যাসাজ করতে পারেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক ছেলেদের ত্বকের যত্নের বেশ কিছু উপায়।
ছেলেরা দিনের বেশিরভাগ সময় বাইরে কাটান। তাই ঘর থেকে বের হওয়ার আগে হাত-মুখ ধুয়ে সানক্রিম বা লোশন লাগিয়ে নেওয়া উচিত। ব্যাগের মধ্যে একটা ফেসিয়াল বা ফেসওয়াশ রাখা ভালো। শহরের যানজট আর ধুলাবালির মধ্যে অফিসে পৌঁছে প্রথমেই ফেসওয়াশ দিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে নিন।
যাদের শুষ্ক ত্বক তারা সানবার্ন ফেসিয়াল করাতে পারেন। এটা রোদেপোড়া ত্বকের জন্যও উপকারী। যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তারা করাতে পারেন অ্যালোভেরা ও গোল্ড ফেসিয়াল। ত্বকে ব্রণের সমস্যা থাকলে আয়ুর্বেদিক ফেসিয়াল করালে উপকার পাবেন। ঘরে বসে ত্বকের যত্ন নিতে চাইলে রোদেপোড়া ভাব কমাতে চন্দনের প্যাক লাগাতে পারেন।
রেজার বার্ন বা রেজার বাম্পের মতো সমস্যা দেখা দিলে মাল্টি ব্লেড রেজার ছেড়ে সিঙ্গেল বা ডাবল ব্লেড রেজার ব্যবহার করুন। ময়শ্চারাইজিং শেভিং ক্রিমও ত্বকের জন্য ভালো। রেজারের প্রতি সোয়াইপের পরে মুখ ধুয়ে নিন। ত্বকের ইরিটেশন কমাতে পাঁচ-সাতটা শেভের পরেই ব্লেড বদলানো উচিত। সেন্টেড আফটারশেভ এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এতে ত্বকের জন্য ক্ষতিকর নানান রাসায়নিক থাকে।
অনেকে ছেলের ধারণা ব্রণ শুধু কিশোর বয়সের সমস্যা, কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেদেরও ব্রণ হতে পারে। সাধারণত মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের ত্বক বেশি তৈলাক্ত হয়ে থাকে। আর তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা বেশি। ব্রণ থেকে রক্ষা পেতে অয়েল ফ্রি বা নন-কমিডোজেনিক বা যেসব পণ্য লোমকূপ বন্ধ করবে না এরকম প্রসাধনী ব্যবহার করা যেতে পারে। নন-কমিডোজেনিক পণ্য ব্যবহার করলে ত্বকে ব্ল্যাকহেডস বা হোয়াইটহেডস সমস্যা থাকবে না। এছাড়া ব্রণ দূর করতে নন-কমেডোজেনিক ক্লিনজার বেশ কার্যকর।
সুন্দর চুলের অধিকারী হওয়ার জন্য কিছুটা তো কষ্ট করতেই হবে। চুলে নিয়মিত তেল দেওয়া, শ্যাম্পু করা, কন্ডিশনিং করা খুবই জরুরি কাজ। সম্ভব হলে সপ্তাহে অন্তত একদিন চুলে মেহেদি ব্যবহার করলে উপকৃত হবেন। যদি কারো অনেকদিনের পুরনো খুশকি থাকে এবং সেখান থেকে মুখে ব্রণ হওয়া, চুল পড়ার মতো সমস্যা দেখা দেয় তাহলে চুলে হালকা তেল ম্যাসাজ করতে পারেন।
Latest
For Advertisement
- সহযোগী-সম্পাদক: হাসিনা রহমান শিপন
- সহ -সম্পাদক: রাশিকুর রহমান রিফাত
- নিউজ রুম ইনচার্জ : তাসফিয়া রহমান সিনথিয়া
Developed by WebsXplore