For Advertisement
সিজদায় আল্লাহর নৈকট্য ও মজা পাওয়ার ৬ উপায়
নামাজ শুধু কিছু দোয়া–তাসবিহের সমষ্টি নয় বরং নামাজ হলো এক প্রেমের আহ্বান, যেখানে দাস তার প্রভুর সামনে দাঁড়ায়, আনুগত্যে ন্যুয়ে পড়ে, আর নিজেকে পুরোপুরি সমর্পণ করে। আর তার মধ্যকার সবচেয়ে গভীর, সবচেয়ে আপন, সবচেয়ে প্রেমমাখা মুহূর্ত হলো—সিজদা। সিজদায় মানুষ পৃথিবীর বুকে মাথা রাখে, আর আসমানের মালিক তার দিকে দয়া নিয়ে ঝুঁকে পড়েন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
أَقْرَبُ مَا يَكُوْنُ الْعَبْدُ مِنْ رَبِّهِ وَهُوَ سَاجِدٌ فَأَكْثِرُوا الدُّعَاءَ
‘বান্দা তার রবের সবচেয়ে নিকটবর্তী হয় যখন সে সিজদায় থাকে। সুতরাং ওই অবস্থায় তোমরা বেশি-বেশি করে দোয়া করো।’ (মেশকাত ৮৯৪, আবু দাউদ ৮৭৫)
কিন্তু আমাদের অনেকের সিজদা হয়ে যায় দ্রুত, অনুভূতিহীন, গভীরতা ছাড়া। হৃদয় ছুঁয়ে যায় না, আল্লাহর কাছে যাওয়ার মজা অনুভূত হয় না। তাহলে কীভাবে আমরা সিজদায় আল্লাহর নৈকট্য, প্রেম, মজা ও তৃপ্তি পাবো? কীভাবে সিজদা হবে আমাদের আত্মার প্রশান্তি, চোখের ঠাণ্ডা, হৃদয়ের অবকাশ? চলুন জেনে নিই, কীভাবে সিজদায় পাওয়া যাবে জীবনের শ্রেষ্ঠ অনুভূতি-
১. আল্লাহর সামনে নিজের ক্ষুদ্র ভাবুন
সিজদায় যাওয়ার মুহূর্তে ভাবুন— আপনি কার সামনে মাথা রাখছেন? কে সেই মহান সত্তা যাকে আসমান–জমিনের সবকিছু সিজদা করে? আপনি সেই মহান রাজাধিরাজের সামনে মাথা রেখেছেন!
এই অনুভূতি হৃদয়ে এলেই সিজদা আর শুধু ইবাদত থাকে না, তা হয়ে যায় অশ্রুভেজা আত্মসমর্পণ। আল্লাহ তাআলা বলেছেন—
وَلِلَّهِ يَسْجُدُ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ
‘আসমান–জমিনে যা কিছু আছে সবাই আল্লাহকে সিজদা করে।’ (সুরা রাদ: আয়াত ১৫)
২. আল্লাহর সান্নিধ্য অনুভব করুন
সিজদায় গেলে মনে করুন— এখন আল্লাহ আপনার খুব কাছে… এখন তার সঙ্গে কোনো পর্দা নেই… এখন বলুন আপনার সব ব্যথা, সব লজ্জা, সব আশা, সব গোপন কথাগুলো…। যেভাবে বলতে বলেছেন নবীজী (সা.)—
أَقْرَبُ مَا يَكُوْنُ الْعَبْدُ مِنْ رَبِّهِ وَهُوَ سَاجِدٌ فَأَكْثِرُوا الدُّعَاءَ
‘বান্দা তার রবের সবচেয়ে নিকটবর্তী হয় যখন সে সিজদায় থাকে। সুতরাং ওই অবস্থায় তোমরা বেশি-বেশি করে দু’আ করো।’ (মেশকাত ৮৯৪, আবু দাউদ ৮৭৫)
Latest
For Advertisement
- সহযোগী-সম্পাদক: হাসিনা রহমান শিপন
- সহ -সম্পাদক: রাশিকুর রহমান রিফাত
- নিউজ রুম ইনচার্জ : তাসফিয়া রহমান সিনথিয়া
Developed by WebsXplore