Tuesday 25 August, 2026

For Advertisement

গর্জন গাছের ভেষজ গুণাগুণ ও উপকারিতা

31 October, 2021 5:59:58

আমরা অনেকে গর্জ্ন গাছের কথা শুনে থাকতে পারি । এটি মূলত একটি পাহাড়ি এলাকার গাছ । এই গাছটি সমতলে খুব একটা চোখে পড়ে না । অন্য পার্বত্য জেলার পাশাপাশি দেশের সর্বদক্ষিণের জেলা কক্সবাজারের বিস্তীর্ণ এলাকায়ও গর্জন বন দেখা যায়।গর্জন মূলত রাজসিক শ্রেণির বৃক্ষ। গাছ প্রায় চিরসবুজ ধরনের। আর উচ্চতার দিক থেকে ৪০-৫০ মিটারের মতো উঁচু হতে পারে। পাতা ডিম্বাকৃতির, শিরা সুস্পষ্ট, ১০ থেকে ১৮ সেমি লম্বা, আগা চোখা ও গোড়ার দিকে গোলাকার। বোঁটা ৩ থেকে ৭ সে.মি. লম্বা। লালচে সাদা রঙের ফুলগুলো ৬ থেকে ৮ সেমি চওড়া হতে পারে। ফল শুকনো ও পাখাযুক্ত। ফুল ফোটে বসন্তের শেষ ভাগে আর ফল পাকে মে-জুনে। গাছের আঠা সাদা রঙের। গর্জনের কাঠ লালচে বাদামি রঙের। আলসার ও দাদ নিরাময়ে এ গাছের কষ ব্যবহৃত হয়। কাঠের তেল উৎকৃষ্টমানের জ্বালানি ও ঘুণ পোকা নিরাময়ে কাজে লাগে। মিয়ানমারে নৌকা তৈরিতে এ গাছের কা ব্যবহার করা হয়। এই গাছের কিছু ঔষধি গুণাগুণ রয়েছে । এর ঔষধি গুণাগুণ সম্পর্কে এখন আলোচনা করা হবে :

উপকারিতা :

আমাশয় রোগ নিরাময়ে :
প্রথমে গর্জ্ন গাছের ছাল কেটে নিতে হবে । এরপর এটিকে পানিতে সিদ্ধ করে নিতে হবে । এবার এই পানিটা ছেকে এই ক্বাথ সকাল ও বিকাল সেবন করলে আমাশয় ভালো হয় ।

আলসার নিরাময়ে :

আলসার রোগ দেখা দিলে গর্জ্ন গাছের ছাল একটু কেটে এর আঠা বা বষ বের হয় সেটা সংগ্রহ করে খেতে হবে । তাহলে পেটের আলসারে ভালো উপকার পাওয়া যাবে ।

কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যায় :

গর্জ্ন গাছের কষ যদি নিয়মিত খাওয়া যায় তাহলে এটা কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ নিরাময়ে ভালো উপকারে আসে ।

দাদ এর সমস্যায় :

গার্জ্ন গাছের কষ নিয়মিত দাদ এর স্থানে লাগালে এটা দ্রুত ভালো হয়ে যায় ।

For Advertisement

সম্পাদক ও প্রকাশক:- এ এফ এম রিজাউর রহমান (রুমেল), এডভোকেট- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
  • সহযোগী-সম্পাদক: হাসিনা রহমান শিপন
  • সহ -সম্পাদক: রাশিকুর রহমান রিফাত
  • নিউজ রুম ইনচার্জ : তাসফিয়া রহমান সিনথিয়া
© সকল স্বত্ব প্রতিচ্ছবি ডটকম ২০১৫ - ২০২২ অফিস: ৭২/২ উত্তর মুগদাপাড়া, ঢাকা ই-মেইল: dailyprotichhobi@gmail.com | মোবাইল: ০১৮১৮০৯৩১৩৭ ফোন:+৮৮০২৭২৭৭১৪৭

Developed by WebsXplore