For Advertisement
বিশ্বকাপে ভারতের হারে উচ্ছ্বাস: পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশ বয়কটের ডাক
বিশ্বকাপ শেষ হলেও এর রেশ এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি ভারত। বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ না থাকলেও ফাইনাল ঘিরে বয়কটের ডাক উঠেছে বাংলাদেশের। আর এ ডাক এসেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে। এর কারণ হলো— ফাইনালে ভারতের হার নিয়ে বাংলাদেশ থেকে উচ্ছ্বাস এবং ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ।
বিবিসি বাংলার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে— পশ্চিমবঙ্গের শৈল শহর দার্জিলিংয়ের একটি হোটেল সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তাদের হোটেলে বাংলাদেশের পর্যটকদের আর তারা থাকতে দেবে না।
ওই হোটেলের মালিক রাম সরকার বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, বিশ্বকাপে ভারত হারার পরে বাংলাদেশিদের একাংশ যেভাবে আনন্দোৎসব করছেন, উচ্ছাস প্রকাশ করছেন, তা দেখে ভারতীয় হিসাবে আমি খুবই কষ্ট পেয়েছি। খেলাতে হার-জিত তো থাকেই, কিন্তু এ তো জাতি বিদ্বেষের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন তারা। সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম। আমাদের এখানে এসে থাকবেন, আবার গালাগালিও দেবেন, দুটো তো একসঙ্গে চলতে পারে না। সব কিছুর একটা সীমা থাকা দরকার।
রাম সরকার আরও জানিয়েছেন, বাংলাদেশের অনেক নাগরিক তাকে ট্রল করছেন, ফোন আর মেসেজ করে গালাগালি দিচ্ছেন আর গুগল রিভিউতে গিয়ে তার হোটেলের খারাপ রেটিং দিয়ে আসছেন।
বিশ্বকাপ ফাইনালের ফলাফল ঘিরে বাংলাদেশিদের একাংশের উচ্ছ্বাসের পর নানাভাবে বাংলাদেশ বয়কটের ডাক দেওয়া হচ্ছে। কেউ বাংলাদেশিদের ভিসা না দেওয়ার কথা বলছেন, কেউ বলছেন কলকাতা বই মেলায় বাংলাদেশি প্রকাশকদের যেন স্টল দিতে না দেওয়া হয়। কয়েকজন চান বাংলাদেশি সংস্থার যেসব পণ্য ভারতে পাওয়া যায়, সেগুলো বন্ধ করা হোক।
পারমিতা প্রামাণিক নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, একটা সময় খুব ইচ্ছা হতো বাংলাদেশ যাবো, দেখবো সোনার বাংলা কিন্তু যারা নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রা ভঙ্গা করে তাদের মাঝে কোনো দিন যেতে চাই না।
চলচ্চিত্র পরিচালক সৃজিত মুখার্জী তার এক্স হ্যান্ডেলে অন্য একজনের পোস্ট করা একটি ভিডিও রিপোস্ট করেছেন, যেখানে বিশ্বকাপ ফাইনালের পরে বাংলাদেশিদের উচ্ছসিত হতে দেখা যাচ্ছে। ওই ভিডিওর ওপরে সৃজিত লিখেছেন: হ্যালো ইন্দিরা গান্ধী, হাই জগমোহন ডালমিয়া।
বিষয়টি নিয়ে গুজবও ছড়াচ্ছেন অনেক ভারতীয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটার।
Latest
For Advertisement
- সহযোগী-সম্পাদক: হাসিনা রহমান শিপন
- সহ -সম্পাদক: রাশিকুর রহমান রিফাত
- নিউজ রুম ইনচার্জ : তাসফিয়া রহমান সিনথিয়া
Developed by WebsXplore