রাষ্ট্রযন্ত্রের সক্রিয় ভূমিকায় দ্রুত সময়ে রামিসা হত্যার সুবিচার হয়েছে: অ্যাটর্নি জেনারেল
রাষ্ট্রযন্ত্রের সবাই অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে ভূমিকা পালন করেছেন বলেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিশু রামিসা হত্যাকান্ডের সুবিচার নিশ্চিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
শিশু রামিসা হত্যার আলোচিত রায় ঘোষণার পর নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আজ একথা বলেন।
এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আমার মনে হয় রামিসার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রযন্ত্রের সবাই অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে ভূমিকা পালন করেছেন বলেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্মম এই হত্যাকান্ডের সুবিচার আমরা পেয়েছি।’
অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, বিচারিক আদালতের দেওয়া আজকের রায়ের ডেথ রেফারেন্সটি (রায় সংশ্লিষ্ট নথি) হাইকোর্টে আসার পরে সেটি শুনানির জন্য প্রস্তুত করার একটা বিধান আছে। আমরা দ্রুততম সময়ে চেষ্টা করব সেটা শুনানির ব্যবস্থা করতে। এক্ষেত্রে হয়তো প্রধান বিচারপতির বিশেষ নির্দেশনার প্রয়োজন হতে পারে।
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। মৃত্যুদন্ডের পাশাপাশি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।
গত ১৯ মে পল্লবীর একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খন্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। তার আগেই ফ্ল্যাটটির বাসিন্দা আসামি সোহেল শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে বাসা থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে ওই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।
গত ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার। গত ১ জুন সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর চার্জগঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক শেষে গত ৪ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
