For Advertisement
পাটুরিয়া ঘাটে ঢাকামুখী মানুষের ঢল
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের হাজারো মানুষ আবারও কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন। দৌলতদিয়া থেকে পাটুরিয়া ঘাটে ছেড়ে আসা প্রতিটি ফেরিতেই যাত্রী ও যানবাহনের ভিড় দেখা গেছে।
রবিবার সকাল থেকেই পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে এমন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। ঘাটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও বন্ধ রয়েছে লঞ্চ চলাচল।
এদিকে সড়ক-মহাসড়কে দূরপাল্লার বাস চলাচল না করায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। জেলার অভ্যন্তরীণ গণপরিবহন, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, সিএনজি, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল যোগে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া দিয়ে ভেঙে ভেঙে যেতে হচ্ছে কর্মস্থলে।
অপরদিকে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে নবীনগরের ভাড়া বাসভেদে ৩০/৪০ টাকা। তবে যানবাহনের তুলনায় মানুষের চাপ থাকায় যাত্রীদের কাছ থেকে তিনগুণ বেশি ভাড়া আদায় করছেন পরিবহন শ্রমিকেরা। যানবাহন না থাকায় এক প্রকার বাধ্য হয়েই বাড়তি ভাড়া দিয়ে কর্মস্থলে যাচ্ছে সাধারণ যাত্রীরা।
কুষ্টিয়া থেকে আগত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রাজেদুল ইসলাম বলেন, আমার আজ থেকেই অফিস খোলা। যাব ঢাকার মিরপুরে। ভোরে কুষ্টিয়া থেকে ৭৫০ টাকা দিয়ে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে এসেছি। যার ভাড়া ১৫০ টাকা। ফেরি চলাচল করায় ফেরি ঘাটে আসা মাত্রই পাটুরিয়ায় আসতে বেশি সময় লাগেনি। পাটুরিয়া থেকে মোটরসাইকেলে ১৫০ টাকা দিয়ে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে আসলাম। এখন নবীনগর যাব তারপর ঢাকা। অথচ কুষ্টিয়া থেকে দূরপাল্লার বাসে ঢাকা যেতে খরচ হয় মাত্র ৫৫০/৬০০ টাকা।
বিআইডব্লিউটিসি’র আরিচা অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) জিল্লুর রহমান জানান, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ফেরি চলাচল করছে। তবে ঈদের আগের দিন একটি ফেরি শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে ফিরে গেছে। ছুটি শেষে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়লেও পারাপারে কোনো অসুবিধা হবে না।
Latest
For Advertisement
- সহযোগী-সম্পাদক: হাসিনা রহমান শিপন
- সহ -সম্পাদক: রাশিকুর রহমান রিফাত
- নিউজ রুম ইনচার্জ : তাসফিয়া রহমান সিনথিয়া
Developed by WebsXplore