For Advertisement
উত্তপ্ত মিয়ানমার, সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক বিজিবি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের কারণে বাংলাদেশ ভারাক্রান্ত জানিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, তাদের কারণে নানা ধরনের সমস্যা হচ্ছে। সেখানে উত্তেজনা চলছে। আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।
শনিবার দুপুরে ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মিয়ানমারের বিভিন্ন রাজ্যে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সংঘর্ষ চলছে। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্যেও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সঙ্গে ক্ষমতাসীন জান্তার সেনাবাহিনীর তুমুল সংঘর্ষ চলছে। এ রাজ্য ছেড়ে পালাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। উদ্বিগ্ন রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাবেক ব্রিটিশ এমপিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমারে কয়েকদিন ধরে উত্তেজনা চলছে। আমাদের সীমান্তে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।’
এক গণমাধ্যমকর্মী প্রশ্ন করেন রাখাইনে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, অনেক রোহিঙ্গা সেখানে হতাহত হচ্ছে। সেখানকার পরিস্থিতি যদি আরও খারাপ হয়ে যায়, আমরা নতুন করে তাদের ঠাঁই দেবো কি না; জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যেসব রোহিঙ্গা ডিসপ্লেসড পিপল আমাদের দেশে এসেছে, তাদের কারণে আমাদের দেশে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হচ্ছে। যেটি ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি প্রতিনিধি দলের সঙ্গেও আমার আলোচনা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানে সিকিউরিটি প্রবলেম তৈরি হয়েছে, এনভায়রনমেন্টাল প্রবলেম তৈরি হয়েছে। এই রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো আসলে একটা ব্রিডিং স্পেস হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফেনাটিজমের জন্য এবং যেসব টেররিস্ট গ্রুপ আছে, তারা সেখানে থেকে রিক্রুট করার চেষ্টা করে, অনেক ক্ষেত্রে হচ্ছে। সুতরাং দেয়ার আর মাল্টিপল প্রবলেমস।’
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের দেশ একটি জনবহুল দেশ। ইতোমধ্যে রোহিঙ্গা ডিসপ্লেসড পিপলের কারণে আমরা ভারাক্রান্ত। প্রতি বছর ৩৫ হাজার করে নতুন সন্তান জন্মগ্রহণ করে। এই পরিস্থিতিতে আসলে; মানবিকতার কারণে তখন আমরা রোহিঙ্গাদের স্থান দিয়েছিলাম। আমরা মনে করি, মিয়ানমারে পরিস্থিতি উত্তরণের মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।’
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, রোহিঙ্গারা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে মিয়ানমারের এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে ছুটছে। পাশাপাশি বাংলাদেশেও প্রবেশের চেষ্টা করছে।
মিয়ানমারের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইরাবতী স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, বুচিডং বাংলাদেশের টেকনাফ থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে। এই সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে।
Latest
For Advertisement
- সহযোগী-সম্পাদক: হাসিনা রহমান শিপন
- সহ -সম্পাদক: রাশিকুর রহমান রিফাত
- নিউজ রুম ইনচার্জ : তাসফিয়া রহমান সিনথিয়া
Developed by WebsXplore