For Advertisement
শোষণ ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ বিনির্মাণই বাহাত্তরের সংবিধানের মূল লক্ষ্য
শোষণ ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ বিনির্মাণই বাহাত্তরের সংবিধানের মূল লক্ষ্য উল্লেখ করে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাহাত্তরের সংবিধান দীর্ঘ চব্বিশ বছর আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতিফলন। যেখানে জনগণের মৌলিক অধিকার সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ৫০তম সংবিধান দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি, শিশু অধিকার বিষয়ক সংসদীয় ককাসের সহ-সভাপতি আরমা দত্ত এমপি, ব্যরিস্টার আমিরুল ইসলাম, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ব্যরিস্টার তুরিন আফরোজ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে স্পিকার বলেন, গণপরিষদের ভাষণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন- ‘অনেক রক্তের বিনিময়ে আমাদের এই সংবিধান। শাসনতন্ত্র ব্যতীত কোন দেশ পাল ও মাঝিবিহীন নৌকার সমান’। শাসনতন্ত্রে মানুষের অধিকার ও কর্তব্য সংবলিত থাকবে, যার প্রতিফলন আমরা তার ৪ নভেম্বর গণপরিষদে প্রদত্ত ভাষণে দেখতে পাই। বাহাত্তরের সংবিধানকে বঙ্গবন্ধু ‘জনগণের শাসনতন্ত্র’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ১৯৪৮ সাল থেকে শুরু করে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ৬৬-এর ৬দফা, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন এবং একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে রচিত হয়েছে বাহাত্তরের সংবিধান। এই সংবিধানের ভীত ও চারটি মৌলিক স্তম্ভ হচ্ছে- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫আগস্ট জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যার পর সমগ্র প্রেক্ষাপটকে পাল্টে দেওয়া হয়। স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি তাদের নীলনকশা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করে এবং সংবিধানকে নানাভাবে ক্ষতবিক্ষত করা হয়। ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত দেশ ও মানুষের আর্থসামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু যে সংগ্রাম করেছেন, তার ভিত্তিতে রচিত বাহাত্তরের সংবিধানের লক্ষ্য অর্জনে সকলের অব্যাহত প্রচেষ্টা জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
Latest
For Advertisement
- সহযোগী-সম্পাদক: হাসিনা রহমান শিপন
- সহ -সম্পাদক: রাশিকুর রহমান রিফাত
- নিউজ রুম ইনচার্জ : তাসফিয়া রহমান সিনথিয়া
Developed by WebsXplore