ইন্টারনেট
হোম / জাতীয় / বিস্তারিত
ADS

ফাইল গায়েব নিয়ে যাকে সন্দেহ হবে তাকেই জিজ্ঞাসাবাদ: স্বাস্থ্যসচিব

31 October 2021, 6:26:51

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি ফাইল গায়েবের ঘটনায় যাকে সন্দেহ হবে তাকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলী নূর।

রবিবার সকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সামনে এ কথা বলেন তিনি। স্বাস্থ্যসচিব বলেন, কেউ সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয়। সিআইডিকে বলা হয়েছে যাকে যাকে সন্দেহ হবে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

এক প্রশ্নের জবাবে আলী নূর বলেন, ‘নথি হারানোর বিষয়টি গত বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) জানতে পেরেছি। জানার পর পুলিশকে জানিয়েছি। পরে সিআইডিকে বিষয়টি টেকওভার করতে বলেছি।’

এর আগে স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের ১৭টি ফাইল গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু করে সিআইডির ক্রাইম সিনের সদস্যরা। এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ছয় কর্মচারীকে আটক করেছে সিআইডি।

সিআইডির বিশেষ সুপার মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি টিম তদন্তের জন্য সচিবালয়ে আসে। বেলা ১২টার দিকে তারা ছয়জনকে নিয়ে সচিবালয় থেকে বেরিয়ে যায়।

ক্রাইম সিনের সদস্যরা সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের নিচতলায় (২৯ নম্বর কক্ষ) অতিরিক্ত সচিব মো. শাহাদাৎ হোসাইন ও যুগ্ম সচিব কাজী আনোয়ার হোসেনের কক্ষে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেন। এসময় তারা সবার আঙ্গুলের ছাপ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেক করেন। অন্তত ১৩ জনের আঙ্গুলের ছাপ নেওয়া হয়।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নথি গায়েবের ঘটনায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষে রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন উপ-সচিব নাদিরা হায়দার।

জিডিতে বলা হয়েছে, গত ২৭ অক্টোবর বুধবার অফিস করে নথিগুলো ফাইল মন্ত্রণালয়ে রাখা হয়। পরদিন দুপুর ১২টায় কাজ করতে গিয়ে ফাইলগুলো মন্ত্রণালয়ে পাওয়া যায়নি। যে নথিগুলো খোয়া গেছে সেগুলোর সিংহভাগই স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের অধীন বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও বিভাগের কেনাকাটা সম্পর্কিত।

এ ঘটনায় কাউকে সন্দেহ করছেন কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের সচিব বলেন, আমরা কেউই সন্দেহের ঊর্ধ্বে নই। সিআইডিকে বলা হয়েছে, আপনাদের (সিআইডি) যাকে যাকে মনে হয়, জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কারও কোনও আপত্তি থাকবে না।

নথি হারানোর বিষয়ে তদন্ত কমিটির একজন সদস্য বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে মো. আলী নূর বলেন, শুক্রবার (২৯ অক্টোবর) রাতে অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. শাহ্ আলমকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য ছিলেন চিকিৎসা শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব মো আহসান কবীর এবং উপ-সচিব আবদুল কাদের। কমিটিতে বিভাগের উপসচিব মল্লিকা খাতুনকে যুক্ত করা হয়েছে।

কবে নাগাদ প্রতিবেদন পাওয়া যেতে পারে এমন প্রশ্নে স্বাস্থ্য সচিব বলেন, কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সপ্তাহের মধ্যেই রিপোর্ট পাবো বলে আশা করছি।

ADS ADS

প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Comments: