- হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮১০
- দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন
- পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
- স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীকে রক্ষা করা অগ্রহণযোগ্য: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
- ওমরাহ পালনের পথে সৌদিতে দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু
- হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত হচ্ছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, যেসব সুবিধা পাবে ব্যবহারকারীরা
- কাঁঠালের বিচির গুণাগুণ
- হাত-পা বিচ্ছিন্ন করে নড়াইলে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা
- অবশেষে ককরোচ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে মোদি সরকার
আরও ২২৫ জনের মৃত্যু,শনাক্ত ১১৫৭৮
মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও ২২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর নতুন করে গত ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ১১ হাজার ৫৭৮ জনের শরীরে। সবমিলিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৮৯৪ জন। আর শনাক্তের মোট সংখ্যা ১১ লাখ তিন হাজার ৯৮৯।
রবিবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯ হাজার ৮০৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। শনাক্তের হার ২৯.০৯ শতাংশ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত একদিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন আট হাজার ৮৪৫ জন। আর মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা নয় লাখ ৩২ হাজার আট জন।
এ পর্যন্ত করোনা শনাক্তের গড় হার ১৫ দশমিক ২২ শতাংশ। সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ৪২ শতাংশ। করোনায় মৃত্যু হার ১ দশমিক ৬২ শতাংশ।
মৃত ২২৫ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৬০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৪০ জন, রাজশাহী বিভাগের ২০ জন, খুলনা বিভাগের ৫৪ জন, বরিশাল বিভাগের নয়জন, সিলেট বিভাগের ১৪ জন, রংপুর বিভাগের ১৪ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের ১৪ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ১২৩ জন পুরুষ এবং ১০২ জন নারী। এর মধ্যে ১৩ জন বাসায় মারা গেছেন। বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন।
বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ১১৫ জনের বয়স ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের ৫২, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ৩১, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ১৬, ২১ থেকে ৩০ বছরের সাতজন, ১১ থেকে ২০ বছরের ৩ এবং দশ বছরের কম বয়সী একজন রয়েছেন।
গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। কয়েক মাস সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার ঊর্ধ্বগতিতে থাকার পর অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। চলতি বছরের শুরুতে করোনাভাইরাসের প্রকোপ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে ছিল। তখন শনাক্তের হারও ৫ শতাংশের নিচে নেমেছিল। তবে গত মার্চ মাস থেকে মৃত্যু ও শনাক্ত আবার বাড়তে থাকে। জুলাই মাসে দৈনিক শনাক্তের হার ২৫ শতাংশের উপরে আছে। মোট গড় হার ১৪ শতাংশের উপরে।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: