For Advertisement
নাগালের বাইরে কাঁচা মরিচ, ব্রয়লারে স্বস্তি
স্বল্প আয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে কাঁচা মরিচের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে চার গুন বেড়ে শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে শাক-সবজির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় খুব বেশি পার্থক্য হয়নি। তবে কিছুটা কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম।
গত সপ্তাহে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া কাঁচা মরিচের দাম এক লাফে বেড়ে হয়েছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা। ব্যবসায়ীরা এক পোয়া (২৫০ গ্রাম) কাঁচা মরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি করছেন, গত সপ্তাহে এক পোয়া কাঁচা মরিচ ছিল ১৫ টাকা।
কাঁচা মরিচের অস্বাভাবিক দাম বাড়ার বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী আব্বাস বলেন, বৃষ্টিতে মরিচের ক্ষেতে ব্যাপক ক্ষতি হয়ে গেছে। অনেকের মরিচ গাছ পানিতে পচে গেছে। মরিচের দাম বাড়ার এটাই একমাত্র কারণ। বৃষ্টির এ ধারা অব্যাহত থাকলে সামনে মরিচের দাম আরও বাড়বে বলে জানান তিনি।
শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা। এ হিসাবে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ব্রয়লার মুরগির দাম কমেছে ১৫ টাকা। তবে পাকিস্তানি কক বা সোনালী মুরগি ও লাল লেয়ার মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আগের মতো লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা। আর সোনালী মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৩০ টাকা।
অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দামও। গরুর মাংস আগের মতোই ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯৫০ টাকা।
ব্রয়লার মুরগির দাম কমার বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোরবানির কারণে ব্রয়লার মুরগির চাহিদা কমে গেছে। এছাড়াও লকডাউনের কারণে হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলোর বিক্রি কমেছে। সবকিছু মিলে ব্রয়লার মুরগির দাম কমেছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাসাবাড়ির তুলনায় হোটেল-রেস্টুরেন্টের জন্য ব্রয়লার মুরগি বেশি বিক্রি হয়। লকডাউনের কারণে হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলো মুরগি কেনার পরিমাণ অনেক কমিয়ে দিয়েছে। আবার বিয়ে বা অন্য কোনো অনুষ্ঠানও এখন হচ্ছে না। এসব কারণে ব্রয়লার মুরগির দাম কমেছে। লকডাউন উঠে গেলে হয়তো ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে যাবে।
মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩৮০ টাকা। মৃগেলের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ২২০ থেকে ২৫০ টাকায়। তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা। পাবদা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা। পাঙাশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৬০ টাকায়।
সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, আগের মতো এখনো সব থেকে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে গাজর ও টমেটো। মানভেদে গাজরের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১১০ টাকা। আর পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে।
এছাড়াও ঝিঙের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলার কেজি ৪০ থেকে ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কাঁচা পেঁপের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, কাঁচকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে। আগের মতো ঢেঁড়সের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে। বরবটির কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়।
Latest
For Advertisement
- সহযোগী-সম্পাদক: হাসিনা রহমান শিপন
- সহ -সম্পাদক: রাশিকুর রহমান রিফাত
- নিউজ রুম ইনচার্জ : তাসফিয়া রহমান সিনথিয়া
Developed by WebsXplore