For Advertisement
হাতীবান্ধায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার ওপর
কয়েকদিনের অনবরত বর্ষণ, ভারতের উজানের পাহাড়ি ঢল থেকে নেমে আসা পানির ফলে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টি মিটারের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ কারণে ব্যারাজের সবকটি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। যার স্বাভাবিক প্রবাহ হলো ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এবারের বন্যায় তিস্তা নদীর পাশ্ববর্তী হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সিঙ্গীমারী, সির্ন্দুনা, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবারী ইউনিয়নে শত শত পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর প্রবাহিত হচ্ছে। ছবি: ইত্তেফাক
ব্যারেজ ও নদী তীরবর্তী মানুষ জানান, গত কয়েক দিন থেমে থেমে ভারী বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি প্রবাহ বেড়ে যায়। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে আরও বাড়তে থাকে নদীর পানি প্রবাহ। পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
ভারতের উজানের পাহাড়ি ঢল তিস্তার পাড়ে এলাকার নিম্বাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ছবি: ইত্তেফাক
হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন র্কমকর্তা মাইদুল ইসলাম শাহ্ বলেন, চেয়ারম্যানদের তথ্য অনুযায়ি ১০ হাজার ৯শ পরিবার পানিবন্দী হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত ৩০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্ধ এসেছে।
এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজির হোসেন বলেন, তিস্তা নদীর পাশ্ববর্তী চর এলাকার পরিবারগুলো পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তবে যেভাবে পানি বাড়তেছে তাতে মনে হচ্ছে বন্যা সৃষ্ট হতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে এপর্যন্ত ৩০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্ধ এসেছে।
হাতীবান্ধা উপজেলার শত শত পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ছবি: ইত্তেফাক
পানি উন্নয় বোর্ড (পাউবো) তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী আসফা উদ দৌলা বলেন, বৃষ্টি আর উজানের ঢলে তিস্তার পানি প্রবাহ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। সবগুলো জলকপাট খুলে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে এবং নদীর তীরবর্তী এলাকার লোকজনকে সতর্ক করা হচ্ছে।
Latest
For Advertisement
- সহযোগী-সম্পাদক: হাসিনা রহমান শিপন
- সহ -সম্পাদক: রাশিকুর রহমান রিফাত
- নিউজ রুম ইনচার্জ : তাসফিয়া রহমান সিনথিয়া
Developed by WebsXplore