- হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচারে মিলবে আয়ের সুযোগ
- হামে আক্রান্ত শিশুকে যা খাওয়াবেন
- রোদে বের হওয়ার আগে ত্বক সুরক্ষায় যেসব ভুল এড়িয়ে চলবেন
- লালবাগ থানার মামলায় জামিন পেলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী
- প্রোটিন হিসেবে ডিম-টমেটোর সালাদ কতটা কার্যকর?
- সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের জন্য বাংলাদেশের দল ঘোষণা
- ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে কিনা, যা জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী
- খুলনায় তাঁতী দলের নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
- কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে আর নেই
শান্ত টেকনাফ, আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে বাড়ি যাচ্ছেন মানুষ
ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে এখন পর্যন্ত কক্সবাজারের টেকনাফে তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি। রাতে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হয়েছিল, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
রোববার (১৪মে) সকালে সেন্টমার্টিন, শাহপরীর দ্বীপ ও বাহারছড়াসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন খবর নিয়ে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় মোখার আতঙ্কে শনিবার সন্ধ্যায় আশ্রয়কেন্দ্রে আসা মানুষ রোববার সকালে তাদের বাড়িঘরে ফিরতে শুরু করেছেন।
পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করা লোকজনও তেমন কোনো আতঙ্কে নেই বলে জানা গেছে। তার পরও উপজেলাজুড়ে মানুষের ক্ষতি এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাতে প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্র সরেজমিন গিয়ে আশ্রিতদের খোঁজখবর নিয়েছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আলম, নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এরফানুল হক চৌধুরী, টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. আব্দুল হালিমসহ অনেকেই।
এদিকে রাতে মোখা আতঙ্কে আশ্রয়কেন্দ্রে আসা কয়েকটি কেন্দ্রের নারী, পুরুষ ও শিশুদের নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন উখিয়া-টেকনাফের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি।
সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা জাহিদ হোসেন যুগান্তরকে জানান, রাতে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হয়েছে, যা এখনো হচ্ছে। সাগরে ভাটা, পানির উচ্চতা তেমন নেই। মাঝে মাঝে বাতাসের গতি বাড়ছে। তবে অনেকে সকাল থেকে আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে বাড়ি চলে যেতে দেখেছি।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান জানান, রাত-দিন আমাদের তরফ থেকে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। ইনশাআল্লাহ টেকনাফে এখনো বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। আমরা সবাই সজাগ আছি।
প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
























Comments: