দেশে করোনার অ্যান্টিজেন পরীক্ষা ডিসেম্বরে

কিটের মানের বিষয় নিশ্চিত না হতে পারার কারণে দেশে করোনার অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুরু হতে বিলম্ব হচ্ছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত দুটি কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা শেষ হওয়ায় ডিসেম্বর মাস থেকে অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

বুধবার ‘কোভিড-১৯ এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক হালনাগাদ তথ্য অবহিতকরণ সভা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য জানান।

তিন মাসের বেশি সময় আগে অ্যান্টিজেন নীতিমালা প্রণয়ন করে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। গত ১৭ সেপ্টেম্বর করোনার র‌্যাপিড টেস্টের জন্য অ্যান্টিজেন টেস্টকে অনুমোদন দেয়া হয়। তবে এখনো শুরু হয়নি পরীক্ষা। যা নিয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

সভার শুরুতে কোভিড তথ্য ব্যবস্থাপনা ও ই-সেবার ওপর তথ্য উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সেন্ট্রাল ফর মেডিক্যাল বায়োটেকনোলজি বিভাগের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. মারুফুর রহমান অপু।

সভায় অধ্যাপক সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, অ্যান্টিজেনের কোন কিটটি সবচেয়ে ভালো বা কার্যকর সেটি নিশ্চিত না হওয়ায় অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুরু করতে দেরি হচ্ছে। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত দুটি কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

ফ্লোরা বলেন, আরটি-পিসিআর পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই এমন ১০টি জেলায় এই কার্যক্রম শুরু করা হবে। তবে সন্দেহজনক রোগী অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় পজিটিভ না হলে তাকে অবশ্যই পিসিআর পরীক্ষা করতে হবে।

গত মার্চে বাংলাদেশে করোনার সংক্রমণ শুরুর পর থেকে কেবল আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে করোনার নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে। যদিও পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানোর জন্য র‌্যাপিড টেস্টের জন্য বারবার পরামর্শ দিয়ে আসছিলেন বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) পরিচালক আবু হেনা মোর্শেদ জামান ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানা।