ঢাকা-৫ ও নওগাঁ-৬ আসনের উপনির্বাচন শনিবার

আগামীকাল শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুই আসনে উপনির্বাচন অনুস্থিত হবে। আসনগুলো হল-ঢাকা-৫ ও নওগাঁ-৬ আসন। নির্বাচন উপলক্ষ্যে ইতিমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। দুই আসনেই ইভিএমে ভোটগ্রহণ হবে।

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লা গত ৬ মে মারা যাওয়ায় শূন্য হয় ঢাকা-৫ আসন। আর সংসদ সদস্য মো. ইসরাফিল আলমের মৃত্যুতে গত ২৭ জুলাই নওগাঁ-৬ আসন শূন্য হয়।

এদিকে, দুই আসনেই বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার শেষ হয়েছে। শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত কিছু গণপরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাড়তি সদস্য।

ঢাকা-৫ ও নওগাঁ-৬ নির্বাচনী এলাকায় পরিবেশ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর। বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘এখনো পর্যন্ত আশঙ্কাজনক কোনো তথ্য পাইনি। ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচন রাজধানী শহরে হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

ঢাকা-৫: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৪টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ছয় প্রার্থী। তারা হলেন- আওয়ামী লীগের মো. কাজী মনিরুল ইসলাম, বিএনপির সালাহ্ উদ্দিন আহম্মেদ, জাতীয় পার্টির মীর আব্দুর সবুর, গণফ্রন্টের এইচ এম ইব্রাহিম ভূঁইয়া, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আনছার রহমান শিকদার ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. আরিফুর রহমান। এ আসনে ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৭১ হাজার ১২৯ জন; যার মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৬৪ জন ও নারী ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৫ জন। এই আসনে ১৮৭ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হবে।

নওগাঁ-৬: এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট তিনজন প্রার্থী। তারা হলেন- আওয়ামী লীগের মো. আনোয়ার হোসেন (হেলাল), বিএনপির শেখ মো. রেজাউল ইসলাম ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. খন্দকার ইন্তেখাব আলম। এ আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ০৬ হাজার ৭২৫ জন; যার মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৫৩ হাজার ৭৫৮ জন ও নারী ১ লাখ ৫২ হাজার ৯৬৭ জন। এই আসনে ১০৪ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হবে।