ঝুলন্ত তার অপসারণে চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

রাজধানীর ঝুলন্ত তার অপসারণের উদ্যোগে চরম বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। করোনাকালে যখন শিক্ষাব্যবস্থা সম্পূর্ণ অনলাইননির্ভর তখন বিকল্প না ভেবে সিটি করপোরেশনের এমন কাণ্ড বাড়াচ্ছে ভোগান্তি। তারের জঞ্জালমুক্ত মহানগরী প্রত্যাশা থাকলেও শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও নগরবিদরা বলছেন, প্রয়োজন বিকল্প উপায়। যদিও দুই করপোরেশনই আগে উচ্ছেদ করে, পরে বিকল্প উপায় খোঁজার পথে ঢিমেতালে হাঁটছে।

কেবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ কোয়াবের একজন সদস্য সাংবাদিকদের দেখালেন কীভাবে ডিস বা ইন্টারনেটের তার মাটির নিচ দিয়ে বাসায় ঢোকানো হবে।

উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর সড়কের তিনটি পথে; তার টানার জন্য মাটির নিচে পাইপ বসিয়েছে উত্তর সিটি করপোরেশন। যেহেতু নতুন রাস্তা, তাই বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই কাজ চলছে জোরেশোরেই!

কিন্তু ঢাকঢোল পিটিয়ে বৃহস্পতিবার গুলশান দুই এ উত্তর সিটি ঝুলন্ত তার অপসারণের যে কার্যক্রম শুরু করেছে তার পরপরই মূল সড়কের দু’পাশের অফিসগুলো দুর্ভোগে পড়ে।

শুধু তাই নয়। ধানমন্ডির অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া মাহিরের পড়াশোনা গত মার্চ থেকেই চলছে অনলাইনে। তার মা অফিসও করছেন বাসায় বসে। নেটলাইন কাটা পড়লে কী হবে তা জানেন না তারা।

কোয়াব ও ইন্টারনেট সেবা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তারাও চান তারের জঞ্জালমুক্ত নগরী। কিন্তু সেটা করতে হবে বিকল্প উপায় রেখেই। একই মত দিয়েছেন নগর পরিকাল্পনাবিদ ইকবাল হাবিবও।

কোয়াবের সভাপতি আনোয়ার পারভেজ বলেন, কেবল এবং ইন্টারনেট কেবল অপসারণে যেন একটা কমিটি করে দেওয়া হয়। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী তারটা যেন অপসারণ করা হয়।’

আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন, দক্ষিণ সিটিতে কেবল কাটার পরে ২ ঘণ্টার মধ্যে কেবল উঠে যাচ্ছে। উত্তরে যে কেবল সেটি দ্বিতীয়বার উঠবে না।

সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বিকল্প উপায়ের কথা বললেও সেই উদ্যোগ যৎসামান্য।

তিনি বলেন, আমাদের ভাড়া দেবে আমরা ড্রেনের ভেতর দিয়ে লাইন করে দেব।

লাইন কাটা হলে কীভাবে চলবে, উত্তরার এই তিনটি পথ ছাড়া দুই সিটির কোথাও সেই উদ্যোগ দেখা যায়নি।

সূত্রঃ সময় সংবাদ