গ্রামে আলোচনার কেন্দ্রে এসআই আকবরের ‘আলীশান বাড়ি’

সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁড়ি থানায় কর্মরত অবস্থায় যুবককে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ ওঠা এসআই আকবরের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার বগইর গ্রামে। সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার পর এসআই আকবরের ‘আলীশান’ বাড়ি নিয়েও চলছে আলোচনা।

তবে পরিবারের লোকজন বলছেন, ওই বাড়ি নির্মাণে পুলিশ কর্মকর্তা আকবরের কোনো ধরণের সম্পৃক্ততা নেই। শিক্ষক বাবার অবসর ভাতা ও সিঙ্গাপুর প্রবাসী ভাইয়ের টাকা মাত্র ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে এ বাড়ি নির্মাণ করা হয়।

মাত্র ১০ হাজার টাকার জন্য রায়হান নামে এক যুবককে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠলে আকবরসহ চারজন এখন সাময়িক বরখাস্ত। আশুগঞ্জের বগইর গ্রামের জাফর আলী ভূঁইয়ার তিন ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে সবার বড় আকবর। ২০০৫ সালে কনস্টেবল হিসেবে চাকরিতে যোগদান করা আকবর ২০১৪ সালে এসআই পদে পদোন্নতি পান।

বুধবার বিকেলে বগইরের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ১৫ শতাংশ জায়গার উপর নয়নাভিরাম একটি একতলা ভবন। বাড়ির সামনেই কাজ চলছে সুবিশাল গেইটের। বাড়ির উঠানে বেশ কিছু মানুষের আনাগোনা। তবে ভবনের দরজা-জানালা সব লাগানো।

দূর থেকে ছুটে আসা কয়েকজন আত্মীয় ও এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আকবরের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠায় তারা অনেকটা স্বম্ভিত। আকবর এমন কাজ করতে পারেন সেটা তারা ভাবতেও পারছেন না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি তুলেছেন তারা।

তবে গ্রামেরই দুই-একজন আত্মীয় এসআইয়ের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সত্য হতে পারে অভিমত দিয়ে বিচারেও দাবি তুলেন। তবে তারা আকবরের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না উঠাতে পারলেও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বাবা জাফর আলীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হওয়ার কথা উল্লেখ করেন।