করোনার জিনোম সিকোয়েন্সিং উন্মোচন

করোনাভাইরাসের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং উন্মোচন করেছে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইন্সটিটিউট এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার (২১ মে) কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটে বাস্তবায়নাধীন পাট বিষয়ক মৌলিক ও ফলিত গবেষণা প্রকল্প (জুট জিনোম প্রকল্প) এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে বাংলাদেশে সংক্রমিত নভেল করোনার সাতটি নমুনা ভাইরাসের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন করে। জিনোমের তথ্যগুলো জিআইএসএআইডি ডাটাবেসে জমা দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইটেও আপলোড করা হয়েছে। উন্মোচিত জিনোম তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সিকোয়েন্সগুলোর সঙ্গে সৌদি আরব, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিকোয়েন্সের মিল রয়েছে।

উন্মোচিত জিনোম সিকোয়েন্সের একটি জিনোমের ক্ষেত্রে সাতটি স্থানে, দুটিতে পাঁচটি স্থানে এবং চারটিতে চারটি স্থানে মিউটেশন বা পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। এছাড়া বিশেষভাবে উল্লেখ্য, ৫১১ ও ৫১৭ নম্বর নমুনার সিকোয়েন্সে একই স্থানে ৩৪৫ বেইসপেয়ার-এর ডিলিশন পরিলক্ষিত হয়, যা সিঙ্গাপুরের কিছু জিনোমের ক্ষেত্রে দেখা গেছে। অর্থাৎ ওই দুটি জিনোমে এনএস৮ জিনটির অনুপস্থিতি লক্ষ করা গেছে।

বর্তমানে উন্মোচিত জিনোম সিকোয়েন্সের অধিকতর বিশ্লেষণের কাজ চলমান রয়েছে। উন্মোচিত সিকোয়েন্স তথ্য ডায়াগনস্টিক টেস্টগুলোর ডিজাইন, মূল্যায়ন এবং চলমান প্রাদুর্ভাবটি দমনে সম্ভাব্য বিকল্প পন্থা শনাক্তকরণে সহায়ক হবে বলে আশা করা যায়।